নারী শক্তি ও শিশু শিক্ষায় এই বিশেষ পুরস্কার অর্জন করেছেন “শ্রীমতি পিয়ালী কাঞ্জিলাল” সহ “জিভামের” শিক্ষাবিদ “চৈতালি রায়” এবং “অনুসূয়া ঘোষ” সহ সমগ্র জীভামের কর্মীবৃন্দরা।
ব্যক্তিগত নয়, শিক্ষার স্বীকৃতি— পুরস্কার প্রাপ্তির পর স্বর্গীয় জহরলাল সেন কে স্মরণ এবং
বাংলা শিক্ষা জগতে ফের গর্বের মুহূর্ত। আমাদের সবার প্রতিক্রিয়ায়, এই সম্মান আমাদের একার নয়, গোটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জীভাম এডুকেশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রাপ্তি। আজ আমরা সবাই কিংবদন্তি জহরলাল সেন মহাশয়কে স্মরণ করে প্রতিজ্ঞা করছি বাংলা শিক্ষা জগতে জীভাম এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের এই সাফল্যের পথচলায় তাঁর নামের অবদান চিরস্মরণীয়।
ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার- “অরণ্য বাংলা ফাউন্ডেশন ও অ্যাসোসিয়েশন তৎসহ ট্রু ব্রান্ড মাল্টিপ্লেক্সর'” কর্ণধার- নঈম আলম ভাই
সহ সকল অতিথি বৃন্দ এবং পুরস্কার প্রাপকদের অভিনন্দন।
শিক্ষা জগতে নীরবে কাজ করে যাওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি। প্রচারের আলো এড়িয়ে, ক্যামেরার ঝলক ছাড়াই যাঁরা প্রতিদিন শিশুদের শিক্ষা বাঁচান, তাঁদের নাম অনেক সময় ইতিহাসের পাতায় দেরিতে উঠে আসে। কিন্তু কাজ থেমে থাকে না। সেই রকমই কিছু শিক্ষিকার নাম এ বছর উঠে এল রাজ্যের সর্বোচ্চ নারী শক্তির সম্মানের তালিকায়। শিশু শিক্ষা বিশেষজ্ঞ “শ্রীমতি পিয়ালী কাঞ্জিলাল” সহ “চৈতালি রায়” এবং “অনুসূয়া ঘোষ” “বঙ্গ গৌরব রত্ন সম্মান” ২০২৫ সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁদের ১৮ বছরের সাফল্য এবং অসামান্য অবদানের জন্য “জীভাম এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের” এই স্বীকৃতি।
মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শ্রীযুক্ত রাজিব সেনের এই যাত্রা শুধুই ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়। এটি পরিশ্রম, সততা এবং ভারতীয় শিক্ষা নীতির প্রতি অবিচল দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দলিল। কলকাতার রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনার সময় থেকেই সহপাঠী ও শিক্ষকদের নজরে পড়েছিলেন তিনি। সেই সময়কার সহপাঠীদের অনেকেই আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিষ্ঠিত। তাঁদেরই একজন সঞ্জয় বোস, যিনি কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণায় বলেন, ৫ বছর একসঙ্গে কলেজে পড়ার সময় থেকেই রাজিবকে আলাদা করে চিনিয়ে দিত ওর নিষ্ঠা আর মানুষ হিসেবে ওর স্পষ্ট অবস্থান।
আধুনিক শিক্ষার দক্ষতার পাশাপাশি মানবিকতা যে একজন শিক্ষাবিদের সবচেয়ে বড় পরিচয়, তা বারবার প্রমাণ করেছেন রাজিব। কম্পিউটার প্রশিক্ষণে জটিল ক্ষেত্রেও তাঁর হাতে সাফল্যের হার ঈর্ষণীয়। আধুনিক AI কম্পিউটার অন্যতম জটিল পদ্ধতি PYTHON সফটওয়্যারে তাঁর সংস্থার দক্ষতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রীর সফল প্রশিক্ষণ সেই দক্ষতারই এক বাস্তব উদাহরণ। সেই দিন উপস্থিত একাধিক অভিভাবক পরে স্বীকার করেছেন, “জিভাম” শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের চাকুরীর বিশেষ স্কিল প্রশিক্ষণ নেওয়ার স্পষ্টতা ছিল ব্যতিক্রমী “দক্ষিণ খড়দহ যুব কম্পিউটার ” প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা “দক্ষিণ খড়দহ” Tally এডুকেশন ক্যাম্পাস।
সহকর্মীদের মতে, “রাজিব” স্যারের সবচেয়ে বড় গুণ হল সহকর্মীদের কখনও পেশা হিসেবে সংকুচিত না করা। তাঁর কাছে শিক্ষা এক ধরনের সামাজিক দায়। আধা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় কাজ করে অসংখ্য আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ করেছেন তিনি। বিনা প্রচারে, বিনা দাবিতে। সেই কাজের স্বীকৃতিই আজ “বঙ্গ গৌরব রত্ন সম্মান”- ২০২৫
এই সম্মানকে ব্যক্তিগত কৃতিত্বের বদলে শিক্ষা সমাজের জয় হিসেবেই দেখছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল। “শ্রীমতি চৈতালি রায়” বলেন আমার জীবনের পনেরো বছর এই প্রতিষ্ঠানে সময় দেওয়ার জন্য আমি “রাজিব স্যারের” কাছে চির ঋণী। আজ আমাদের প্রতিষ্ঠানে সম্মান পাওয়া আমার কাছেও গর্বের।
শিক্ষা জগতে যখন বাণিজ্যিকী করণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার, তখন “রাজীব স্যারের” মতো শিক্ষাবিদদের প্রতিষ্ঠানের এই স্বীকৃতি নতুন করে মনে করিয়ে দেয়, পেশার শিকড়ে এখনও সততা বেঁচে আছে। হৃদয়ের শিক্ষায় যিনি প্রতিদিন শিশুদের শিক্ষা বাঁচান, আজ তাঁর নিজের হৃদয়ও ভরে উঠেছে সহকর্মী, বন্ধু এবং অগণিত ছাত্র-ছাত্রীর ভালোবাসায় “বাচপান গ্লোবাল স্কুল”- কল্যাননগর, খড়দহ শাখা। যা “হলিস্টিক ডেভলপমেন্ট” আধুনিক শিশু শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
দীর্ঘ জীবন, সুস্থতা এবং আরও বহু সাফল্যের কামনায় আজ শিক্ষা মহল এককণ্ঠ। “বঙ্গ গৌরব রত্ন সম্মান”- ২০২৫ কেবল একটি সম্মান নয়, এটি এক জীবন ব্যাপী নীরব সাধনার শিক্ষা স্বীকৃতি।




