নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): জাতীয় দলের মর্যাদা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস। আর শুধু তৃণমূলই নয়, এই তালিকায় রয়েছে সিপিআই এবং শরদ পাওয়ারের এনসিপি। অপরদিকে দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (এএপি) জাতীয় দলের মর্যাদা পেয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন এ ঘোষণা দেয়। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে, আম আদমি পার্টি (এএপি) জাতীয় দল হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কর্ণাটক হাইকোর্টে আবেদন করেছিল।এই আবেদনে বলা হয়, বিলম্বের কারণে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা ব্যাহত হচ্ছে।
এএপি-র কর্ণাটকের আহ্বায়ক পৃথ্বী রেড্ডির দায়ের করা পিটিশনে বলা হয়, দলটি জাতীয় দল হওয়ার জন্য সমস্ত মানদণ্ড পূরণ করে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন এটিকে সেই মর্যাদা দিতে অস্বীকার করেছে।
অপরদিকে, গত মাসেই নির্বাচন কমিশন বলেছিল যে, তারা শরদ পাওয়ারের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির “জাতীয় দল”- স্থিতি পর্যালোচনা করবে। কমিশন তার সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার জন্য এনসিপির প্রতিনিধিত্বের শুনানি করবে। সূত্র জানিয়েছে যে, এনসিপি আর জাতীয় দলের মর্যাদার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না।
এদিকে, ত্রিপুরা ও মেঘালয় নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের জাতীয় দলের তকমা কেড়ে নেওয়ার দাবী জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন। শুভেন্দুর দাবী ছিল, জাতীয় দলের তকমা পেতে হলে যে শর্তগুলি মানতে হবে, তার কোনটিই বাংলার শাসক দল পালন করতে পারেনি। এই নিয়ে ট্যুইটও করেছিলেন বিরোধী দলনেতা।
উল্লেখ্য, জাতীয় দলের তকমা পেতে গেলে যেসব শর্ত রয়েছে, তা হল-
৪টি রাজ্যে একটি দল আঞ্চলিক দলের মর্যাদা পেলে, তাকে জাতীয় দলের মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে।
যদি কোনও দল তিনটি রাজ্যে লোকসভা আসনের ৩ শতাংশ জয়ী হয়, তাহলে সেটি জাতীয় দলের মর্যাদা পেতে পারে। ৪টি লোকসভা আসন ছাড়াও একটি দল লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ ভোট শেয়ার পেলেও এই মর্যাদা পেতে পারে।
কোনও দল যদি এই তিনটি শর্তের একটিও পূরণ করে, তাহলে সে জাতীয় দলের মর্যাদা পায়।




