নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): ভারতে বস্ত্র উৎপাদন বহু প্রাচীন পেশা, এর সঙ্গে জড়িয়ে বিপুল মানুষের জীবিকা। এখন চাহিদার প্রয়োজনে যন্ত্রচালিত তাঁতের প্রাধান্য থাকলেও হস্তচালিত তাঁতের সমাদর একটুও কমেনি। ভারতের গ্রাম ও মফস্বলের জীবন-জীবিকা, নীতি-বিচার এবং যাপনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাঁত। যার মধ্যে দিয়ে ফুটে ওঠে ভারতের যত্নে লালন করা বৈচিত্র্য।
ভারতের হস্তচালিত তাঁত, তাঁতশিল্পী এবং তাঁতের সঙ্গে জড়িত সব মানুষকে সম্মান জানাতেই পালিত হয় জাতীয় তন্তু দিবস বা National Handloom Day. প্রতিবছর ৭ আগস্ট দিনটি পালন করা হয়। mygov.in ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়েছিল যার মাধ্যমে ব্রিটিশ পণ্যকে বর্জন করে দেশীয় পণ্য, বিশেষ করে দেশের তাঁতজাত দ্রব্য ব্যবহারের বার্তা দেওয়া হয়েছিল। সেই বিষয়টিকে স্মরণে রেখেই এই দিনটি পালন শুরু হয়েছে। ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট চেন্নাইতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম এই দিনটি পালনের কথা বলেন।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ভারতের সেরা পাঁচ হাতে বোনা শাড়িগুলি কী?
কাঞ্জিভরম:
অন্যতম জনপ্রিয় সিল্ক কাঞ্জিভরম বা কাঞ্চিপুরম সিল্ক। তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরমে এই শাড়ি তৈরি হয়। উজ্জ্বল রঙ, জমকালো জরির টেম্পল বর্ডার পার এই সিল্কের বৈশিষ্ট্য। বিয়েবাড়ি, অনুষ্ঠানবাড়িতে মহিলাদের প্রথম পছন্দ কাঞ্জিভরম।
বেনারসী:
মূলত উত্তরপ্রদেশের বেনারসের শাড়ি, কিন্তু বাঙালির বিয়েতে কনের চাই-ই চাই। মূলত মুঘল ঘরানার কাজ করা শাড়ি। জমকালো নকশা, বাহারি রঙ এই শাড়ির বৈশিষ্ট্য।
পশমিনা:
কাশ্মীরের বিখ্যাত পশমিনা তৈরি হয় চাংঠাঙ্গি ভেড়ার লোম থেকে। শাল, কুর্তি, জ্যাকেট, সালোয়ার সুট এমন কী ব্যাগেও এই ফ্যাশন খুব জনপ্রিয়।
খাদি:
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রতীক বলা যায় চড়কা কাটা খাদিকে। মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে খাদির ইতিহাস। দেশের জলবায়ুর পক্ষে উপযোগী, পরিবেশবান্ধব টেকসই ফ্যাশনের ক্ষেত্রে খাদিই শেষ কথা।
মুগা:
আসামের নিজস্ব হ্যান্ডলুম। হলদে সোনালী রং-এর জন্য এই কাপড়ের যে কোনও পোশাকেই থাকে রাজকীয় ছোঁয়া। সঙ্গে ট্র্যাডিশনের ছোঁয়া তো আছেই।




