কালীর আরাধনা করলে জীবনে সুখ, শান্তি, শক্তি, বিদ্যা লাভ করা যায়: বিধায়ক দীপায়ণ চক্রবর্তী
———————————————-
গতকাল শিলচর শশ্মাণ ঘাটের কালী মন্দিরের নবনির্মিত সুদৃশ্য চূড়ার উন্মোচন উপলক্ষে মূখ্য সম্মাণিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের শিলচর শাখার অধ্যক্ষ স্বামী মৃন্ময়ানন্দজী মহারাজ ও শিলচর রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী গুনানাতিতানন্দজী মহারাজ , আসামের মন্ত্রী পরিমল শুক্লবৈদ্য,শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী,এ.পি.ডি.এস. এল-র চেয়ারম্যান নিত্যভূষন দে, শিলচর ডেপলামেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মঞ্জুল দেব,সমাজসেবী স্বর্ণালী চৌধুরী,মৃদুল মজুমদার,মিত্রা রায়,অসীম দে মহাশয়েরা মাঙ্গলিক প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন।সেদিন শিলচর রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী গুনানাতিতানন্দজী মহারাজ বলেন,মা কালী হলেন শক্তির দেবী। তার অন্য নাম শ্যামা বা আদ্যাশক্তি। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু তথা বাঙালিদের কাছে এই দেবী বিশেষভাবে পূজিত হন। তন্ত্র মতে পূজিত প্রধান ১০ জন দেবীরর মধ্যে তিনি অন্যতম পূজিত দেবী। যারা সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করতে চান যারা তন্ত্র এবং মন্ত্র ক্ষমতায় যারা বিশ্বাস করেন, যারা মানুষরূপী হয়েও ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী হতে চান তারা মা কালী পূজা অত্যন্ত ভক্তি সহকারে করে থাকেন।ভারত সেবাশ্রম সংঘের শিলচর শাখার অধ্যক্ষ স্বামী মৃন্ময়ানন্দজী মহারাজ বলেন,কালীর অন্য নাম শ্যামা বা আদ্যাশক্তি। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু তথা বাঙালিদের কাছে এই দেবী বিশেষভাবে শক্তির দেবী রূপে পূজিত হন। এছাড়াও বাঙালি হিন্দু সমাজে দেবী কালীর মাতৃরূপের পূজা বিশেষ জনপ্রিয়। প্রধানত শাক্ত সম্প্রদায় কালীপূজা করে থাকে। তন্ত্র অনুসারে, কালী দশমহাবিদ্যা নামে পরিচিত দশজন প্রধান তান্ত্রিক দেবীর প্রথম। দশমহাবিদ্যার ইনি প্রথমা মহাবিদ্যা। শাক্ত মতে, কালী বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আদি কারণ। বাঙালি হিন্দু সমাজে কালীর মাতৃরূপের পূজা বিশেষ জনপ্রিয়।এরপর মন্ত্রী পরিমল শুক্লবৈদ্য বলেন,শশ্মাণ মাণেই মহা পবিত্র স্থান,মুক্তির স্থান। সমাজ থেকে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে শুভ শক্তির আগবণ হোক,এটাই মাকালীর কাছে প্রার্থনা।বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী বলেন,“কালী মাতৃশক্তি। আবার কালীই ব্রহ্ম। কালী মহামায়া।”কালীর আরাধনা করলে জীবনে সুখ, শান্তি, শক্তি, বিদ্যা লাভ করা যায়।আর এই শিলচর শশ্মাণ কালী মন্দিরের চূড়া উদ্বোধনে সাক্ষী হতে পেরে নিজেকে ধন্য করেন।আর মাকালীর আর্শীবাদ থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে বৈদ্যতিন চুল্লির প্রকল্প হবে বলে আশাবাদী।এরপর মন্দিরের উন্নয়নে ২০২০-২১অর্থ বছরের বিধায়কের এডিএস তহবিল থেকে বরাদ্দ ফলক উন্মোচন করেন বিধায়ক দীপায়ণ চক্রবর্তী সহ সন্মাণিত অতিথিরা।উক্ত কালীমন্দিরে মন মতানো আরতিতে যোগ দেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের শিলচর শাখার অধ্যক্ষ স্বামী মৃন্ময়ানন্দজী মহারাজ।সবশেষে বিরাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্ৰহন করেন এই অঞ্চলের বিশিষ্ট শিল্পীরা এবং সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটিকে আনন্দ মূখর করে তোলেন




