নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার)ভোরেই প্রভোরেই প্রয়াত হয়েছেন শতায়ু হীরাবেন দেবী। মায়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই তড়িঘড়ি সব কাজ ফেলে গুজরাটের গান্ধীনগরে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে মরদেহ বাড়িতে আনা ইস্তক ঠাঁয় গাড়িতে মায়ের পাশেই এদিন বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল নমোকে। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে মায়ের মরদেহ কাঁধে তুলে শ্মশানের পথে রওনা দেন মোদী।
গত বুধবার থেকে আমদবাদের ইউ এন মেহতা ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিয়োলজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভরতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন। বৃহস্পতিবার বিকেলেও খবর মিলেছিল যে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার বিষয়েও কথাবার্তা চলছিল। তারইমধ্যে শুক্রবার ভোররাত ৩ টে ৩০ মিনিটে মোদীর মা শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে।য়াত হয়েছেন শতায়ু হীরাবেন দেবী। মায়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই তড়িঘড়ি সব কাজ ফেলে গুজরাটের গান্ধীনগরে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে মরদেহ বাড়িতে আনা ইস্তক ঠাঁয় গাড়িতে মায়ের পাশেই এদিন বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল নমোকে। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে মায়ের মরদেহ কাঁধে তুলে শ্মশানের পথে রওনা দেন মোদী।
গত বুধবার থেকে আমদবাদের ইউ এন মেহতা ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিয়োলজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভরতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন। বৃহস্পতিবার বিকেলেও খবর মিলেছিল যে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার বিষয়েও কথাবার্তা চলছিল। তারইমধ্যে শুক্রবার ভোররাত ৩ টে ৩০ মিনিটে মোদীর মা শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে।মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়েই দিল্লি থেকে আমদাবাদ বিমানবন্দরে চলে আসেন মোদী। তারপর গাড়িতে চেপে সোজা চলে আসেন ছোটোভাই পঙ্কজের বাড়িতে। সেখানেই মোদিমায়ের মরদেহ রাখা হয়েছিল। ফুল দিয়ে মা’কে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর ভাইদের সঙ্গে কাঁধে মায়ের মরদেহ তুলে নেন। খালি পায়ে আসতে-আসতে হেঁটে এসে শববাহী যানে মা’কে রেখে দেন মোদী। মায়ের পাশেই বসে থাকেন।
তারপর গান্ধীনগরের শ্মশানে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের মরদেহ নিয়ে আসা হয়। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী যাবতীয় নিয়ম-রীতি মেনে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া চলে। শেষে মায়ের মুখাগ্নি করেন মোদী। আগুন জ্বলে ওঠার পর চিতার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন মোদী। প্রাথমিকভাবে খবর, আপাতত গান্ধীনগরে থাকবেন মোদী। তাঁর পরিবারের তরফেও সকলকে নিজেদের নির্ধারিত পরিকল্পনা মেনে কাজ করে প্রধানমন্ত্রীর মা’কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের আর্জি জানানো হয়েছে।




