নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদে রয়েছেন শীতলকুচির বিজেপি বিধায়ক বরেন বর্মন। আর দিদির দূত কর্মসূচিতে সেই জাটিগাড়া মাধবচন্দ্র বিদ্যাপীঠে (উচ্চ মাধ্যমিক) হাজির হয়ে বিজেপি বিধায়ককে ফোন করেই পরিকাঠামো নিয়ে নানা খোঁজ নিলেন সিতাইয়ের তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। শুধু তাই নয়, স্কুলে বসেই নানা সমস্যার জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর দপ্তরে। শুক্রবার জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে বেরিয়ে জাটিগাড়া মাধবচন্দ্র বিদ্যাপীঠে (উচ্চ মাধ্যমিক) হাজির হন। স্কুলের শিক্ষক সংখ্যা, ছাত্রসংখ্যা, মিড-ডে মিল সহ বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। স্কুলে ছাত্র সংখ্যা প্রায় পাঁচশো। কিন্তু আপাতত স্কুলে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন প্রধান শিক্ষক সহ চার জন। তারমধ্যে প্রধান শিক্ষক নিজে বিজেপির বিধায়ক হওয়ায় নিয়মিত স্কুলে আসেন না। ফলে স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি থাকে অত্যন্ত কম। সবকিছু নিয়েই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তৃণমূল বিধায়ক। সার্বিক পরিস্থিতি দেখে জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া স্কুল শিক্ষা দপ্তরে মূলত শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলেন।
অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়কের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক জানান, তিনি ২০০৯ থেকে ওই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। গত ২০২১ এ বিধায়ক হওয়ার পর স্কুলের অফিসের যাবতীয় কাজ সামলালেও নিয়মিত তারপক্ষে স্কুলে যাওয়া সম্ভব হয় না। স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি সকলের জানা। অথচ এই স্কুল থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষক বদলি হতে হতে ১৫ জন থেকে কমে বর্তমানে এই অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক এতদিন পর হঠাৎ কেন এক্ষেত্রে উদ্যোগী হলেন সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।




