পাঁউশী অন্ত্যোদয় অনাথ আশ্রম থেকে এবছর যারা মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল, সকলেই আশানুরূপ ফল করেছে।
আপনাদের সকলের আশীর্বাদে ওরা জীবনে সফল হোক, প্রতিষ্ঠিত হোক এবং মানুষের মত মানুষ হয়ে উঠুক, ঈশ্বরের কাছে এই আমাদের প্রার্থনা
পাঁউশি অন্ত্যোদয় অনাথ আশ্রমে ১৪ আবাসিকই মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ
সংবাদদাতা, কাঁথি : অংশুমান পন্ডা নানা প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে, বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে ওরা আজ সফল। ভগবানপুর-২ ব্লকের পাউশি অন্ত্যোদয় অনাথ আশ্রমের ১৪ ন আবাসিকই এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। অনাথ আশ্রমের ১২ জন এবং আশ্রম পরিচালিত ‘স্নেহচ্ছায়া’ হোমের দু’জন পরীক্ষায় বসেছিল। এরা সকলে পড়িশি বৈকুণ্ঠ স্মৃতি মিলনী বিদ্যামন্দিরের ছাত্রছাত্রী। তারা প্রত্যেকেই সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। আবাসিকদের সাফল্যে আশ্রমে খুশির হাওয়া। উল্লেখ্য, আশ্রমের দু’টি আবাসে যারা আবাসিক রয়েছে, তাদের কারও বাবা-মা নেই। কারও বাবা আছেন, মা নেই কিংবা মা আছেন তো বাবা নেই। একটা সময় সহায় সম্বলহীন পরিস্থিতিতে আশ্রমে “এদের ঠাঁই হয়েছিল। তারপর
ইচ্ছাশক্তিকে সম্বল করে আবাসিক হিসেবে নিজেদের একটু একটু করে গড়ে তুলেছে এবং জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসেছিল ১৪ জন। এভাবেই প্রতিবন্ধকতা, বঞ্চনা, অভিভাবকহীনতা সহ নানা বাধা অতিক্রম করে তারা সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ। আশ্রমের সম্পাদক বলরাম করণ বলেন, আমরা উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আশ্রমই ওদের বাড়িঘর, সুখ-দুঃখের ঠিকানা। আমরা সবসময়
আবাসিক ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই উৎসাহ দিই। প্রত্যেকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের তৈরি করেছে। সেইমতোই সাফল্য পেয়েছে। ওরা যাতে ভবিষ্যতে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে, তার জন্য আশ্রমের পক্ষ থেকে সবদিক দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে




