নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): ২০ ঘণ্টা টানা তল্লাশি। র্যাশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই গ্রেপ্তারির পেছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। গ্রেপ্তারের পর ইডি দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের পর এবার গ্রেপ্তার হলেন জ্যোতিপ্রিয়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের দ্বিতীয় মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তাঁর বাড়িতে চলে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। পাশাপাশি ইডি হানা দেয় মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতেও। এছাড়া সমান্তরালভাবে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও তল্লাশি চলে। মন্ত্রীর আমহার্স্ট স্ট্রিটের বেনিয়াটোলা লেনের বাড়িতেও যায় ইডি। অন্যদিকে, ইডি সূত্রে খবর, একটানা জিজ্ঞাসাবাদের পর জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেপ্তার করে সল্টলেকের বাড়ি থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তে অসহযোগিতা, বয়ানে অসঙ্গতি সহ একাধিক অভিযোগে জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্রের খবর, রাত ১.৩৫ মিনিটে অ্যারেস্ট মেমোতে সই করানো হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। শুক্রবার ভোর ৩.২২ মিনিট নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বার করা হয়। ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। সকালে তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বার করার সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার আমি। বিজেপি ষড়যন্ত্র করেছে। শুভেন্দু ষড়যন্ত্র করেছে।’ ইডি সূত্রে খবর, শুক্রবারই মন্ত্রীকে ব্যাংকশাল আদালতে তোলা হবে। মন্ত্রীকে নিজেদের হেপাজতে চাইবে ইডি। বাকিবুর রহমানের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় তদন্তকারীরা।




