HomeCountryশিলিগুড়িতে সবাই জানে এই ব‍্যাক্তি টোটোচালক, কিন্তু তার কার্যকারিতা শুনে চমকে উঠল...

শিলিগুড়িতে সবাই জানে এই ব‍্যাক্তি টোটোচালক, কিন্তু তার কার্যকারিতা শুনে চমকে উঠল গোটা দেশ

spot_img
- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): দেশদ্রোহী কার্যকলাপে প্রায়ই গ্রেফতার হচ্ছে এদেশের বহু নাগরিক। প্রশ্ন উঠছে শত্রুপক্ষের প্রলোভনে তারা কীভাবে পা দিচ্ছে? কিছুদিন আগে দিল্লিতে বিদেশ মন্ত্রকের এক গাড়ির চালক পাকিস্তানি গুপ্তচর মহিলার প্রলোভনে পড়েছিলেন। অবশেষে সেই গাড়ি চালক গ্রেফতার হন।যাকে এক কথায় বলা হচ্ছে ‘ হানি ট্র্যাপ ‘। গত ২১ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স শিলিগুড়ির ভারত নগর এলাকা থেকে গুড্ডু কুমার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে।

ওই যুবক আদতে বিহারের পূর্ব চম্পারন জেলার বাসিন্দা। গুড্ডুর কাজ ভারত চীন সীমান্তে নজরদারি ও সেনাদের গতিবিধির খবর পাচার করা। পাকিস্তানি একটি whats’app গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিল গুড্ডু। শুধুমাত্র জানা গেছে এই গুড্ডু দু’বছর আগে লকডাউনের সময় বিহার থেকে নিউ জলপাইগুড়ি থানা এলাকার ভরতনগরে এসে একটি বাড়ি ভাড়া নেয়। সেখানে সে নিজেকে একজন টোটো চালক বলে পরিচয় দিয়েছিল। গত সেপ্টেম্বরে কালিঙ্পং থেকে পীর মহম্মদ ওরফে সমীর দা নামে এক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়। ওই সমীর দা-র অধীনে কাজ করত গুড্ডু। এসটিএফ গুড্ডুকে আদালতে তুললে আদালত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

Whats’app গ্রুপের মধ্যে দিয়ে প্রথমে গুড্ডু হানি ট্র্যাপের শিকার হয়। তারপর সেই থেকেই গুড্ডু নিজেই বেশ কিছু জনকে হানি ট্রাপের স্বীকার করায়। তারপর থেকে ভারতীয় সীমান্তের সেনাদের বিভিন্ন তথ্য ওই অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতে থাকে বলে অভিযোগ। বেশ কিছুদিন ধরে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছে এই নিয়ে তথ্য আসছিল। অবশেষে এসটিএফ-কে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করলে এসটিএফ গুড্ডুকে গ্রেফতার করে।

সঙ্গে বেশ কিছু মূল্যবান নথিও মেলে তার থেকে। গোয়েন্দারা গুড্ডুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আর কে কে জড়িত রয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছে। উত্তরবঙ্গে এই নিয়ে

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments