নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অসুস্থ হলেও সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা করাতে চাইছেন না। তাঁর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা করানো নিয়ে একপ্রকার আপত্তি তুলেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। তবে এই নিয়ে তাদের আদালতের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়। কিন্তু আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশও দিয়েছিল বটে।
বলা হয়েছিল, ইডি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের জরুরি কোনও অপারেশনের প্রয়োজন আছে কিনা খতিয়ে দেখবে। সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতে এখন জোকা ইএসআই হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে চাইছে ইডি।
সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের শারীরিক অবস্থার ইস্যুতে আদালত ইডিকে জানিয়েছিল এখনই তাঁর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন রয়েছে কিনা, তা জানতে কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে আবেদন করতে। তাই জোকা ইএসআই-তে যেহেতু ‘কালীঘাটের কাকু’র আগে শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে, তাই সেখানেই মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে চাইছে তারা। এই প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ‘কাকু’র সব মেডিক্যাল রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। ইএসআই হাসপাতালে তা পাঠিয়ে দেবেন ইডির আধিকারিকরা। সুজয়কৃষ্ণকে নিয়ে আগে চিকিত্সকরা দাবি করেছিলেন যে, তাঁর হৃদযন্ত্রের সমস্যা আছে এবং অস্ত্রোপচার করানোর প্রয়োজন। কিন্তু তিনি নিজে কোনও বেসরকারি হাসপাতালে এই অপারেশন করাতে চান।
আসলে বেসরকারি হাসপাতালে আপত্তি নিয়ে আদালতে ইডির বক্তব্য ছিল, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা হলে ১৬ দিন প্যারোলে মুক্ত থাকবেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তার পর ফের এসএসকেএমে চলে যাবেন কোনও অজুহাত দিয়ে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সময়েও একই বক্তব্য ছিল। তিনিও নাকি ভীষণ অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু বিরোধী আইনজীবী অবশ্য দাবি করেন, যে কোনও নাগরিকের নিজের পছন্দের জায়গায় চিকিত্সা করানোর অধিকার আছে।




