নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): বিশ্বকাপে হারের হ্যাটট্রিক পাকিস্তানের। ভারত, অস্ট্রেলিয়ার পর আফগানিস্তানের কাছেও হেরে গেল তারা। কিন্তু এই হারকে কি অঘটন বলা যায়? আগের ম্যাচে গত বারের বিশ্বজয়ী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে খেলতে এসেছিল আফগানিস্তান। তাদের তুলনায় পাকিস্তান কিছুটা সহজ দল। ভারতের কাছে ৭ উইকেটে এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২২৯ রানে হেরে খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। মনোবল দুমড়ে থাকা একটি দলের বিরুদ্ধে আফগানিস্তান হাসতে হাসতে জিতল আট উইকেটে। ২৮৩-র মতো কঠিন টার্গেট মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলল তারা। কেউ শতরান করেননি। কিন্তু চার ব্যাটারই দলের হয়ে অবদান রেখে গেলেন।
তাহলে কি ১৪ অক্টোবর রাতের পর থেকেই বাবর আজমের দলটা একেবারে ঘেঁটে গিয়েছিল! টিম ইন্ডিয়ার কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার কাছে উড়ে যাওয়া। আর এবার চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের কাছে ল্যাজেগোবরে হয়ে যাওয়া। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের বিরুদ্ধে হেরে আগেই আত্মবিশ্বাস তলালিতে চলে গিয়েছিল। আর এবার দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জারদানের ১৩০ রানের জুটির জন্য আফগানিস্তান শুধু পাকিস্তানকে প্রথমবার একদিনের ক্রিকেটে হারিয়েই ক্ষান্ত থাকল না। চলতি বিশ্বকাপের সেমি ফাইনাল খেলাও মহম্মদ রিজওয়ান-শাহিন শাহ আফ্রিদিদের কাছে তীব্র অনিশ্চিত হয়ে গেল। কারণ ইংল্যান্ডকে ৬৯ রানের হারিয়ে দেওয়া পর এবার আফগানরা ৮ উইকেটে জিতে পাক বধ করল।
বাবর আজমের অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেক দিন থেকেই প্রশ্ন উঠছে। সোমবারের ম্যাচের পর সেই দাবি আরও জোরালো হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সেই ইমরান খানের আমল থেকে পাকিস্তানের ফিল্ডিং নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এখনও পর্যন্ত তার কোনও বদল হয়নি। এ দিনের ম্যাচে অন্তত তিনটি ক্যাচ ফেলেছেন পাকিস্তানের ফিল্ডারেরা।




