নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের হাতে।আদালতের নির্দেশে ধৃত চার শিক্ষকদের সঙ্গে তাপস মণ্ডলের সরাসরি যোগ। ২০১৪ সাল থেকে ধৃত সৌগত মণ্ডল, সাইগার হুসেন, সীমার হুসেন ও জাহিরউদ্দিন শেখ মুর্শিদাবাদে চাকরি করছিলেন।
সিবিআই সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের যে বিএড কলেজ ছিল তাপস মণ্ডলের সেই কলেজ মাধ্যমে তাপসের সঙ্গে যোগাযোগ হয় এই চার জনের।
বেনিয়ম করে টাকা দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল এই চার জনকে। চারটি স্কুল হল, উষা কামিনী প্রাইমারি স্কুল, শ্রীনগর পশ্চিমপাড়া প্রাইমারি স্কুল, নবগ্রাম খোজারডাঙা প্রাইমারি স্কুল, মাধুনিয়া প্রাইমারি স্কুল।
সিবিআই যে চার্জাশিট দিয়েছিল সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল, সৌগত মন্ডল ৫.৫০ লক্ষ টাকা সরাসরি দিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলকে। সাইগার হুসেন ৬ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলকে। সীমার হুসেন ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলকে। জাহিরুদ্দিন সেখ ৫.৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলকে। সকলেই তাপসকে টাকা দিয়েছিলেন।
সিবিআইয়ের চার্জশিটে উল্লেখ, তাপস মন্ডল ১৩৬ জন চাকরি প্রার্থীর টাকা আট জন এজেন্ট মারফত ৩ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮৫০০০ টাকা তুলেছিল।তাপস পাঁচ চাকরিপ্রার্থীর থেকে ২৩০০০০০ টাকা তুলেছিল চাকরির লোভ দেখিয়ে নামে। এদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি চার জন গ্রেফতার হয়েছে সোমবার আদালতের নির্দেশে।
কুন্তল ঘোষ এজেন্ট মারফত ৭১ জন চাকরি প্রাথীর থেকে ৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা তুলেছিল।সবমিলিয়ে তাপসের কাছে পাঁচ চাকরিপ্রার্থীর থেকে গিয়েছিল ২৩ লক্ষ টাকা। এই টাকা থেকে তাপস নিজের কমিশন কেটে বাকি টাকা দিয়েছে কুন্তল ঘোষকে। কুন্তল আবার নিজের কমিশন কেটে পার্থ ঘনিষ্ঠর কাছে সেই টাকা পৌঁছে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।
আদালতের নির্দেশে চার্জশিটে নাম থাকা ৪ জন শিক্ষক গ্রেফতার হলেন। কিন্তু এর বাইরে টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের কি সরাসরি তদন্তের আওতায় আনা হবে? নাকি ছাড়া পাবেন যাদের নাম চার্জশিটে নেই, উঠছে প্রশ্ন।




