নিজস্ব প্রতিনিধি সম্পা ঘোষ :রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (7th may 1861-7th August 1841)বাংলা পঁজিকা ২২ শে শ্রাবন পালিত হয় রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী।ভারত, তথা গোটা বিশ্বকে অমূল্য সম্পদ দান করে গিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দিয়ে গিয়েছেন তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি – গান, কবিতা, উপন্যাস, নৃত্যনাটিকা, ছোট গল্প। সারা বিশ্বে তিনি বরেণ্য।সাহিত্যে তাঁর সৃষ্টির জন্য প্রথম ভারতবাসী হিসেবে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ১৯১৩ সালে। বিশ্বের নানা প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয় তাঁর দর্শন। তাঁর চিন্তাভাবনা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।ব্রিটিশরা তাঁকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে ১৯১৫ সালে। কয়েক বছর পর ভারতের বুক রক্তাক্ত হয় জালিয়ানওয়ালাবাগ কাণ্ডে। ব্রিটিশের গুলিতে প্রাণ হারান অসংখ্য নিরীহ মানুষ। সেই ভয়াবহ, পাশবিক ঘটনার প্রতিবাদে ‘নাইট’, অর্থাৎ ‘স্যার’ উপাধি ত্যাগ করেছিলেন কবিগুরু।
ভারতবাসী কি ভুলতে বসেছে রবীন্দ্রনাথ কে, আধুনিক তরুণ প্রজন্ম কি রবীন্দ্র চর্চা কম করছেন, ঠিক এমনটাই মনে হচ্ছে অনেকের। রবীন্দ্রনাথ বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধার , বিজয় নগর হাই স্কুল সংলগ্ন পার্ক, পিকনিক গার্ডেনে এবার ৪৪ তম “রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী” পালন করছেন। অনুষ্ঠান আয়োজনে চিনু অধিকারী ও সঞ্জীব অধিকারীর প্রচেষ্টায় চার দিনে ১৪০ জন সংগীত শিল্পী, বাচিক শিল্পী ও নৃত্য শিল্পী উপস্থিত থাকবেন। ৬ ই মে থেকে শুরু হলো চলবে ৯ ই মে অব্দি, প্রতিদিন বিকেল ৪:৩০ থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে চলবে রাত অব্দি,প্রতিদিন গুণী সংগীত শিল্পিরা গান, কবিতা, আবৃতি , নৃত্য,বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনের মাধ্যমে “রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী” পালিত হবে ।
সঞ্জীব অধিকারীর বক্তব্য,আধুনিক প্রজন্ম কে বেশি করে গীতবিতান পড়তে হবে, গীতবিতান আঁকড়ে রাখতে হবে।রবীন্দ্রনাথ কে বাদ দিয়ে আমরা কিছুই করতে পারবো না, কোনো শব্দ চয়ন করতে পারবো না, তাই গীতবিতান রবীন্দ্রনাথ কে আঁকড়ে আমরা সব কিছু করি।
“রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী” অনুষ্ঠান সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো প্রখ্যাত সুরকার বুদ্ধদেব গাঙ্গুলীকে এবং ছোট ছোট বাচ্চাদের হাতে পড়ার সামগ্রী তুলে দিলেন। এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুরকার বুদ্ধদেব গাঙ্গুলী, বংশীবদন চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ সেন বরাট, মনোতোষ বেড়া,ডঃ দেবাশীষ চ্যাটার্জী,মল্লার ঘোষ তথা বিভিন্ন গুণী শিল্পীরা।





