নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): দোহাই, আর থালা বাজাতে বলবেন না। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এমনই আর্জি রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ নাদিমুল হক। এদিন সংসদে স্পেশল মেনশন পর্বে বলতে উঠে নাদিমুল বলেন, দেশে আবার করোনার(Corona) ছায়া ঘনিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ সে নিয়ে নিজের প্রতিবেদন রেখেছেন। আমরা কেন্দ্রীয় উদ্যোগের প্রশংসা করি। শুধু পরামর্শ, এবার সময় থাকতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়টি সুরক্ষিত করা হোক যেটা আগের বার হয়নি। একইসাথে পর্যাপ্ত অক্সিজেন, ভ্যাকসিন স্বাস্থ্যকর্মীদের বহাল করার কথাও বলেন নাদিমুল। শেষে বলেন, ‘আমরা সকলেই দায়িত্ববান নাগরিক। কেন্দ্রের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। শুধু দয়া করে আর থালি বাজাতে বলবেন না।’ নাদিমুলের এই মন্তব্যে হেসে ওঠেন সকলেই।
২০২০ সালে করোনার প্রথম ঢেউ এর সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে চিকিৎসাকর্মীদের উৎসাহদানের হাততালি ও থালি বাজাতে বলেছিলেন, যা নিয়ে যথেষ্ট জলঘোলা হয়। তৃণমূল সাংসদ নাদিমুল হক প্রকারান্তরে আজ সেটি নিয়েই কটাক্ষ করলেন। নাদিমুল ছাড়াও এদিন রাজ্যসভায় নিউরো মাসকুলার ডিজিজ নিয়ে নাতিদীর্ঘ বক্তব্য রাখেন দলের সাংসদ চিকিৎসাবিদ শান্তনু সেন, জুট শিল্পে সংস্কার ও জুট কর্মীদের জীবনধারণে সাহায্য করার জন্য আর্থিক অনুদান দাবি করেন দোলা সেন। এর পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের আগেই সংসদের অধিবেশন গুটিয়ে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর মতে, এই নিয়ে টানা ৮ বার সময়ের আগেই বন্ধ হয়ে গেল অধিবেশন যা কেন্দ্রীয় ব্যর্থতার নজির। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনরেগা ইস্যুতে লোকসভায় একটি প্রশ্ন কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিনা আগ্রাসন নিয়ে বিরোধী বিক্ষোভ সভা পন্ড হওয়ায় তা আর পেশ করতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন সুদীপবাবু।




