HomeNewsজাতীয় মেলার মর্যাদা দেয়নি কেন্দ্র, ১০ পয়সা দিয়েও সাহায্য করেনি, ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

জাতীয় মেলার মর্যাদা দেয়নি কেন্দ্র, ১০ পয়সা দিয়েও সাহায্য করেনি, ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

spot_img
- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): উত্তরপ্রদেশের কুম্ভমেলার সঙ্গে এ রাজ্যের গঙ্গাসাগর মেলার তুলনা টেনে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিঁধলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার মতে, কুম্ভমলায় রাজ্যকে সম্পূর্ণ সাহায্য করে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু গঙ্গাসাগরের ক্ষেত্রে কোনও সাহায্য করা হয় না বলে অভিযোগ তাঁর। এর পাশাপাশি, গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’ হিসাবে ঘোষণা করার দাবিও তুলেছেন তিনি।

বুধবার ডুমুরজলা হেলিপ্যাড থেকে কপ্টারে চড়ে গঙ্গাসাগর রওনা দেন মমতা। সেখানে পৌঁছে গঙ্গাসাগরে রাজ্য সরকার যে সব উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করেছে তার বিবরণ দেন তিনি। পাশাপাশি, গঙ্গাসাগরে যাতায়াত আরও সুগম হয়েছে বলেও জানান। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌এখানে ৬৫ লক্ষ টাকা খরচ করে আবাসিক গেস্ট হাউজ করা হয়েছে। তার উদ্বোধন করব। তারপর কাকদ্বীপের একটি ব্রিজ উদ্বোধন করে দেওয়া হবে। ওখানে মা–মাটি–মানুষের নামে পুজো দেওয়া হবে। আমরা একটা বিমা করে দিয়েছি। যাঁরা যাক। তাঁদের মধ্যে যদি কারও মৃত্যু হয় ৫ লক্ষ টাকা পাবেন। মুড়িগঙ্গায় সেতু প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের আবেদনে সাড়া দেয়নি। কেন্দ্র সব মেলাকে অনুমোদন দিলেও গঙ্গাসাগর মেলা বঞ্চিত। গঙ্গাসাগর মেলাকে আমি জাতীয় মেলা ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আবেদন করছি।’‌

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘গঙ্গাসাগর মেলা এই ধরনের একমাত্র মেলা যেটা জলপথ পেরিয়ে আসতে হয়। প্রতিবছর যাতায়াত মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি মানুষ নদী পার হন। অন্য সব মেলায় কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক আকাশপথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে। আমরা এখানে আমাদের মতো ধাপে ধাপে করছি।’

মুখ্যমন্ত্রীর আক্ষেপ, প্রতিশ্রুতি দিয়েও কেন্দ্র এই ব্রিজ তৈরির ব্যাপারে কোনও সাহায্য করেনি। তিনি জানান, “মুড়িগঙ্গায় সেতুর প্রয়োজন।

। বারবার কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেও সাড়া মেলেনি। শেষপর্যন্ত আমরা বাধ্য হয়ে চেষ্টা করছি নিজেদের মতো করে করার। ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ। আমরা নিজেদের মতো একটা ডিপিআর তৈরি করেছি। তবে একটু সময় লাগবে। এত বড় যজ্ঞ। তার সামগ্রী জোগাড় করতে সময় তো লাগবেই। আমরা বারবার অনুরোধ করেছি ভারত সরকারকে কাজ হয়নি। আমরা আবারও অনুরোধ করব। নীতি আয়োগকেও অনুরোধ করব।”

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments