নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): উৎসবের মাঝেও দেশে শিশু ও নারীর উপর নৃশংস অত্যাচার অব্যাহত।ঠাকুর দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার ৩ বছরের শিশুকন্যা। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ২টো নাগাদ কবিরধাম জেলার একটি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
বাড়ির অদূরে দাদুর সঙ্গে দশেরা উপলক্ষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিল ৩ বছরের ওই শিশুকন্যা। সেই সময় নাতনির তেষ্টা পাওয়ায়, পাশের একটি বাড়ি থেকে জল আনতে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ। ফিরে এসে নাতনিকে আর দেখতে পাননি। বহু খোঁজাখুঁজির পর একটি বাড়ি থেকে নাতনির কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। সেখানে ঢুকে অভিযুক্ত যুবকের কোলে নাতনিকে দেখতে পান তিনি।
যৌন নির্যাতনের কারণে নাতনি কাঁদছিল বলেই পুলিশকে জানিয়েছেন বৃদ্ধ। অভিযুক্ত দুর্গেশ পাটেল নির্যাতিতার এলাকারই বাসিন্দা। অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পকসো সহ একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবা নাচের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ১১ বছরের বালিকাটি ২টি ইভেন্টে জয়ী হয়েছিল। কিন্তু, পুরস্কার দেওয়ার সময় তাকে ১টি পুরস্কার দেওয়া হয়। এরপরই মেয়ে আরেকটি পুরস্কারের ভাগীদার বলে বালিকাটির মা অনুষ্ঠান আয়োজকদের কাছে জানান। সেই ‘অপরাধে’ই অনুষ্ঠান আয়োজকদের হাতে বালিকাটির মা ও বাবা নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ। তারপর গুরুতর আহত বালিকাটির বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের (Gujarat) পোরবন্দরে।
পুলিশ জানায়, মৃতের নাম সারমান ওদিদারা (৪০)। পোরবন্দরের কৃষ্ণা পার্ক সোসাইটি এলাকার বাসিন্দা সারমানকে বুধবার ভোররাতে ৭ জন মিলে লাঠি ও ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং তার জেরেই সারমানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পোরবন্দরের ডিএসপি রুতু রাবা জানান, সারমান ওদিদারার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ৭ জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।




