নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার)”৭৪ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে নারী ক্ষমতায়নের বার্তা দিল বাংলা। ট্যাবলোয় তুলে ধরা হল দুর্গোৎসবকে।
দুর্গামণ্ডপের আদলে সাজানো সেই ট্যাবলোয় লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক এবং গণেশের সঙ্গে ছিল মৃন্মীয় মা-র মূর্তি। আটপৌরে শাড়িতে ট্যাবলোয় দাঁড়িয়ে ঢাক বাজান মহিলারা। শুধু তাই নয়, ধুনুচি নাচেও অংশ নিতে দেখা যায় তাঁদের। ট্যাবলোয় থাকা মহিলাদের পরনে ছিল ঐতিহ্যবাহী সাদা ও লাল পাড়ের শাড়ি।
২০২১-র ডিসেম্বরে বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তকমা দেয় ইউনেস্কো । ইনট্যানজিবল কালচালার হেরিটেজ অফ হিউমন
স্বীকৃতি পেয়েছে দুর্গাপুজো ।
গত বছর সেই স্বীকৃতি উদযাপন করা হয় দুর্গাপুজো কার্নিভ্যালের (Durga Puja Carnival) মাধ্যমে। এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসেও মা দুর্গাকে নারী ক্ষমতায়নের প্রতীকী বলে তুলে ধরল রাজ্য সরকার। এদিনের কুচকাওয়াজে ১৭টি রাজ্যের ট্যাবলো অংশ নেয় । ভারতের সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামরিক শক্তির ভান্ডার প্রদর্শন করা হয় । এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। চারদিনের ভারত সফরে এসেছেন আল-সিসি।
বিজেপি শাসিত এই ট্যাবলোয় তুলে ধরা হয় অযোধ্যার দীপোৎসব। ভাগবত গীতার আদলে ট্যাবলো তৈরি করেছে হরিয়ানা। কর্নাটকের ট্য়াবলোয় ছিল রাজ্যের তিনি ব্যতিক্রমী মহিলার সাফল্যের কাহিনি।
২০১৭-এর সাধারাণতন্ত্র দিবসে বাংলার তরফ থেকে শারদোৎসবের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছিল। তবে ট্যাবলো নিয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে রাজনীতি কম হয়নি। গত বছর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জীবনীর উপর ভিত্তি করে ট্যাবলো সাজিয়েছিল বাংলা। কিন্তু সেই ট্য়াবলো বাতিল করে দেয় কেন্দ্র।”




