নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): গত সাড়ে নয় বছরে নরেন্দ্র মোদী ও মন্দির একপ্রকার সমার্থক হয়ে গিয়েছে। সরকারি কিংবা দলীয়, প্রধানমন্ত্রীর যে কোনও কর্মসূচিতে মন্দির দর্শন, পূজাপাঠ পর্ব থাকেই। সোমবার সকাল সকাল প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন তিরুপতি মন্দিরে। তেলেঙ্গানায় ভোট ৩০ নভেম্বর। তার তিনদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর তিরুপতি দর্শনে ভোটের অঙ্ক দেখছে রাজনৈতিকমহল। বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর মন্দির দর্শনকে মেরুকরণের শেষ চেষ্টা হিসাবেও ব্যাখ্যা করছে।
আগেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল মন্দির চত্বর।এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেখা গিয়েছে ঐতিহ্যশালী দক্ষিণী পোশাকে। তাঁর কপালে ছিল তিলক এবং পরনে ছিল সাদা দক্ষিণী ধুতি। গলায় ছিল কমলা ও সবুজ রঙের উত্তরীয়।নিষ্ঠাভরে প্রধানমন্ত্রীকে তিরুপতি মন্দিরে পুজো দিতে দেখা গিয়েছে। এরপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ছবি পোস্ট করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, তিরুমালায় ভেঙ্কটেশ্বরের কাছে ১৪০ কোটি ভারতীয়র মঙ্গল কামনা করলাম।
মোদী রবিবার তেলেঙ্গানার তিনটি জনসভায় ভাষণ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’ও তিনটি জনসভায় হাজির ছিলেন। ময়দানে ছিলেন রাহুল গান্ধী, বোন প্রিয়ঙ্কা এবং তেলেঙ্গানার শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতির প্রধান তথা মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। তেলেঙ্গানায় ভোট নেওয়া হবে ৩০ নভেম্বর।
তিরুপতির পাহাড়ের তিরুমালাতে অবস্থিত ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরটি ভেঙ্কটেশ্বর অর্থাৎ বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়েছে। বিশ্বাস করা হয় সমস্যাসঙ্কুল কলিযুগে মানবজাতিকে রক্ষা করতে তিনি পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এটি তিরুপতি বালাজি মন্দির নামেও পরিচিত।




