HomeNewsসুজাপুরে তৃতীয় বর্ষ কালিয়াচক বইমেলা, গ্রামীণ বইমেলার উদ্যোগকে সাধুবাদ বিশিষ্টজনদের

সুজাপুরে তৃতীয় বর্ষ কালিয়াচক বইমেলা, গ্রামীণ বইমেলার উদ্যোগকে সাধুবাদ বিশিষ্টজনদের

spot_img
- Advertisement -

নিজস্ব সংবাদদাতা শম্পা ঘোষ, মালদা :মালদা জেলার সুজাপুরে ২২শে জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তৃতীয় বর্ষের কালিয়াচক বইমেলা। গ্রামীণ পর্যায়ে বই ও সংস্কৃতির প্রসারে এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই জেলার বৌদ্ধিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
বইমেলার উদ্বোধন করেন পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রাক্তন জেলাশাসক তথা বর্তমান ওএসডি অ্যান্ড ইও, স্পেশাল সেক্রেটারি (MA&ME ডিপার্টমেন্ট) মোঃ এনামুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি তথা সুজাপুর বিধানসভার বিধায়ক আব্দুল গনি।
সম্মানীয় অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিশু চিন্তক, বেঙ্গল আনএডেড স্কুল অর্গানাইজেশনের রাজ্য সম্পাদক, কে কে এডুকেশনাল সোসাইটির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ও শোভা প্রকাশনীর কর্ণধার, ভারতরত্ন গৌরব পদকপ্রাপ্ত দেবাশীষ দেব শর্মা, অধ্যাপক ড. অচিন্ত্যকুমার ব্যানার্জি, বইমেলা কমিটির সভাপতি ড. নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবুল বরকত, কার্যকরী সভাপতি ড. তাসলি মারি এফ, শিক্ষারত্ন প্রাপক সাহিত্যিক ও শিক্ষক অনুকূল বিশ্বাস (মালদা রামকৃষ্ণ মিশন), জেলা গ্রন্থাগার ইনচার্জ তুষার বাবুসহ বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিকরা।
উদ্বোধনী ভাষণে মোঃ এনামুর রহমান বলেন, “আজকের দিনে গ্রামীণ এলাকায় বইমেলা আয়োজন করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। সরকারি উদ্যোগে জেলা শহর বা মহানগরে বইমেলা হলেও গ্রামভিত্তিক বইমেলা একটি সাহসী ও দৃঢ় পদক্ষেপ।” তিনি এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় আব্দুল গনি বলেন, “বই পড়ার মধ্য দিয়েই আমরা বড় হয়েছি। আমি এখানকারই ভূমিপুত্র। সাধারণ পরিবার থেকে পড়াশোনার মাধ্যমে আজ সুজাপুরের বহু সন্তান রাজ্য ও জেলার উচ্চপদে প্রতিষ্ঠিত।” তিনি ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রত্যেককে বইমেলা থেকে অন্তত একটি করে বই কেনার আবেদন রাখেন।
দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে বই বিপণন, প্রকাশনা, সম্পাদনা ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত মালদা জেলার বইমেলার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব দেবাশীষ দেব শর্মা বলেন, “বই পড়ার মাধ্যমেই প্রকৃত চেতনার বিকাশ ঘটে। সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত হয় বইয়ের হাত ধরেই।” তিনি ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি প্রতি মাসে অন্তত একটি করে সাধারণ বই—গল্প, উপন্যাস, ছোটগল্প, বিজ্ঞান বা কুইজের বই পড়ার পরামর্শ দেন।
বইমেলার সম্পাদক মোঃ শরিফুল আলম বলেন, “কালিয়াচক ও সুজাপুরকে জেলা তথা রাজ্যস্তরে তুলে ধরতেই আমাদের এই প্রয়াস। জেলা শহরের আদলে বই ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে স্থানীয় কবি-সাহিত্যিক ও ছাত্রছাত্রীদের প্রতিভা তুলে ধরাই এই বইমেলার অন্যতম লক্ষ্য।”
সার্বিকভাবে বই ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে সুজাপুরের তৃতীয় বর্ষ কালিয়াচক বইমেলা গ্রামীণ বইমেলার ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments