শ্যাম কে কলিযুগের সবচেয়ে ক্ষমতাবান দেবতা বলে বিশ্বাস করে অনেকে।ভীমের পুত্রের নাম ছিল ঘটোৎকচ এবং ঘটোৎকচের পুত্রের নাম বর্বরিক। বর্বরিক বাবাই খাটু শ্যামজি নামে পরিচিত। শ্রী কৃষ্ণ বর্বরিককে নিজের নাম প্রদান করেন ও কলিযুগে বর্বরিকের পূজা হবে বলে আশীর্বাদ দেন। এই কারণেই বর্বরিকের অপর নাম শ্যাম। ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় খাটু শ্যামের মন্দির থাকলেও বিশ্বাস করা হয় রাজস্থানের সিকারে অবস্থিত মন্দিরটি সবচেয়ে বিখ্যাত।
৩ মার্চ উত্তর কলকাতার ৩০০ বছরের পুরোনো প্রসিদ্ধ কাঠগোলাপ শ্যাম মন্দির থেকে প্রায় ৩০০০ থেকে ৩৫০০ হাজার ভক্তগণকে নিয়ে নিশান যাত্রার আয়োজন করা হয় কাকুড়গাছির বড় পার্কের পিছনে কামনা সিদ্ধি শ্যাম মন্দির পর্যন্ত। এই শুভ কাজের কান্ডারী ছিলেন রবি জি,প্রত্যুষ পোদ্দার,বিবেক পোদ্দার,বিনিত পোদ্দার,সন্তোষ পোদ্দার,রবি লাড়িয়া,রাজেশ সন্হোলিয়া সহ আরও অনেকে।নানান প্রান্ত থেকে হোলি পর্যন্ত ভক্তরা নরেশ বাবার দরবারে আসেন এবং মনোবাঞ্ছা জানান।
কলকাতা থেকে সম্পা র রিপোর্ট




