HomeOtherবিশ্ব নারী দিবস"- উপলক্ষে News Bharat 24 hrs এর পক্ষ থেকে কবি...

বিশ্ব নারী দিবস”- উপলক্ষে News Bharat 24 hrs এর পক্ষ থেকে কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক এর শুভেচ্ছা বার্তা

spot_img
- Advertisement -

বিশ্ব নারী দিবস”- উপলক্ষে দুই বাংলার প্রখ্যাত কবি ব্যক্তিত্ব বিদ্যুৎ ভৌমিক তাঁর একগুচ্ছ স্বরচিত কবিতা পৃথিবীর সমস্ত নারীদের উৎস্বর্গ করলেন ৷ Published by ~ News Bharat 24 hrs

 

_________________________

 

কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক এর একগুচ্ছ ক-বি-তা

 

_________________________

 

 

 

 

( ১ )

 

~ধাত্রীদেবতা ~

 

 

 

সম্প্রতি এই স্খলিত বাতাস রাতপাখির ডাক শুনে আকাশকে দূরলক্ষ্যে উন্মুক্ত হতে বললে ; মহাবনস্পতি ধর্মভ্রষ্ট মনন – এ নিষ্ঠুর হেঁয়ালী নিয়ে লজ্জাহীন নীরব রইল !

 

 

উন্মাদ সমুদ্রঢেউ , নীল যৌবন , এধারের শান্তিরস , হয়তো কোথাও তৃষ্ণার অতল ভাঙন ,—— গভীরে সময়শূন্য

 

 

এই সুকুমার শরীর রক্তের অমোঘ পরিচিতি নিয়ে মৃত্যুমুখী ধ্যানে এবং অস্থিরতায় !

 

তবু ধাত্রীদেবতা অলৌকিক চৈতন্যে আমার আদিখ্যেতা দেখে উপহাস করে !

 

 

সম্প্রতি ভেজাতে চাই আমার শরীর কবিতার রতিজলে ,—- যদি পুড়ি উদ্ধত আগুনের কাছে ; তাহলে নশ্বরতার কাছে মৃত্যু কেড়ে নেবে ! এই আমার পরবর্তী চ্যালেঞ্জ …..

 

 

 

( ২ )

 

~ মৎস্যগন্ধারা ~

 

 

 

এখন শূন্য এক লম্বা টা — না স্মৃতিপথ ; হৃদয় সাবান মাখিয়ে দিয়ে বলতে পারি তোকে ,— প্রেম করবি , মন্ত্র আছে জানা ?

 

 

চোখের মধ্যে সন্ধ্যার বাতি জ্বলে ; হীমস্বপ্ন তবুও নির্জন ….. হয়তো এভাবেই প্রিয় মুখগুলো তাই ভালোবাসাকে করেনি আগোপন !

 

 

যতটুকু আছে , সবটাই দেখি স্মৃতি ; হৃদয় থেকে উঠে দাঁড়ালাম যেই ,—- অনেকটা কাছে ভালোবাসা আছে একা ;

গোপনতন্ত্রে ব্যাথাভরা স্মৃতিতেই !

 

 

কিছু কিছু ঢেউ সহজে এমনি আসে ,

ধূসর সময়ে নির্জন চারপাশ ; মনের মধ্যে শাড়ি সেই নারী ঘুমন্ত ঘুমে করে যায় উপহাস !!

 

 

 

 

 

( ৩)

 

ভূমিকা রাখতে গিয়ে

 

 

হাতের মুঠোয় বিচ্ছিরি সব রেখা , লুকিয়ে যেন আছে নানান পথ ,—- এই হাতেতে সময় ধরে ধরে চলছে আমার জীবন – মরণ রথ !

 

 

সবটুকু তাই এমনি অবুঝ শিশু , গাছবৃষ্টি ভিজিয়ে চোখের পানি ,—– অথচ কেন অন্য হাতের ছোঁয়ায় এ’মন আমার অফুরাণ অভিমানি !

 

 

( ৪ )

 

কৃয়াপদহীন বিবর্ণ কিঁটেরা

 

 

 

যদিও

রক্তাক্ত হতে হতে সত্যি সত্যি কী এক বিমূর্ত ছায়া শরীর থেকে বেরিয়ে এসে অবৈজ্ঞানিক ভাষা দুয়ার ঠেলে অস্পষ্ট মুখ দেখিয়ে বলে ওঠে ; ঘুমন্ত কিঁটেদের ইতিহাস !

 

 

স্বপ্ন ; তবু দেখি ,—- যেভাবে রোজ মধ্যরাতে না আসা কবিতার দুঃখবোধে প্রত্যন্ত গভীর থেকে গভীরতর স্তদ্ধতায় নির্ঘুম চোখ বুজে থাকা ! এটাই কৃয়াপদহীন ভাসমান অদেখা অসুখ ,—– মৃত্যুর মতন নীরব ; অথচ কালক্ষেপ না করেই একাকীত্ব নিয়ে হতাশ নির্জনে ব্যর্থতা মাখা অদিক্ষীত শব্দ গুলোকে ভষ্মমেঘে ছড়িয়ে দিয়ে শেষমেশ খুশি হয়ে ওঠে !

 

 

 

শেষ একবার জবরদস্ত কষ্ট গুলোকে লুকিয়ে লুকিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখি , এতদূর এসে নিঃস্ব হয়ে উঠি নিজের প্রতিবিম্ব দর্পণে নির্বিকার জ্বলতে দেখে !

 

 

এই মুহূর্তে আমি অপ্রেমিক এবং অবিশ্বস্ত ; শেষ পর্যন্ত পার্থিক ম্যাজিক গুলো অর্ধেকনিঃশব্দের ভেতর বৃষ্টির কাছে চোখের পানি মুছে দিতে দিতে নিষেধহীন প্রহর গুনছে বেমালুম !

 

 

একবার শুধু প্রাচীন জন্মের গল্প ; এভাবেই শুরু করতে গিয়ে উদাস হই কতশত নিঃশব্দে ! এই সত্যবদ্ধ মন ; অন্য কিছু চিন্তার মধ্যে শরীরহীন শিহরণ ,—— এটাও এক অচেনা রাস্তা ধরে স্বপ্ন দেখে চলা ; নিভৃতে যতনে আঁকা আত্মহনের কৌশল ! তবু নিরীহ এই আমিত্ব নিয়ে পুড়ে – পুড়ে গেছি যতবার ; ভীতর গভীরে জ্বলি আমরণ সর্বনাশে !!

 

 

( ৫ )

অস্বীকার তো করিনি তোকে

 

 

 

একটা ছায়ার উপর দাঁড়িয়ে মনে হল যেন আমিও অশরীরী ! কবেকার মনটুকু জটিল সময়ের ভেতর দিয়ে থেকে থেকে ভুলে গেছে নিজেকে নিজেই ,—– এই মন দেহশূন্য নামগোত্রহীন অশরীরী !

 

 

 

তুই অস্বীকার করলেও , না করলেও আমি প্রাচীন ভাষ্কর্যের মত এভাবেই একা ও একক রোদ বৃষ্টিতে নিঃসঙ্গ ! মন খারাপের গন্ধে নির্ঘুমে একাই থেকেছি স্মৃতি সম্মেলিত ; এই নৈমিত্তিক কারণে তোকে ছুঁয়ে দেখার সামর্থ্য হয় নি একবারও ….. তবুও এই প্রেমগুলোতে তুই-ই যেন কুয়াশা মেখে অস্পষ্ট ভাসমান এখন !

 

 

কবিতার পাতায় পাতায় বুদ্ধিদীপ্ত সুন্দরি তুই , এটা যেন আমার নিঃশব্দে বলে ফেলা কাঙালপনা ; তাই না রে ?

সেবার হঠাৎ বৃষ্টিতে বুকে জ্বলছিল অহংকার ; অন্য এক স্বপ্নের কাছে তুই ও পলাশ রঙা হাসি ছড়িয়ে বিক্রি করছিলি তোর আনন্দ – সুখ ; আরও কত কি ! আমি তখন কতকালের শ্মশানে পুড়ছিলাম ; সেই দেখে দেখে !

 

 

এই একটাই দেওয়ালহীন ঘর ; আশ্চর্য রকম বৈরাগ্যে অনেকটাই রূপকথার মত ! এখানে এই ঘরে তোর শ্বাস – প্রশ্বাস একদিন ছিল ভীষণ অলিখিত সর্তহীন ….. অথচ এখন এই ঘরটা নেটওয়ার্ক ছাড়া বেমালুম নিরবতায় আহত বিষাদাকীর্ণ তুইহীন নির্জন !

 

 

 

কিছু কিছু নির্জনতা নির্ধারিত কথাহীন ৷ নতুবা প্রেমের কাছে অনেকটাই অহর্নিশ কৃতদাশ ! অন্তর্দহনে দগ্ধে দগ্ধে না মরেও মৃত চিরকাল ,—- যদিও কবিতার কাছে কতবার তোর জন্যে ক্ষমাও চেয়েছি হৃদয় শূন্য করে ; কতবার এই ঘরের বিছানা চাদর পুড়েছে অমনষ্কে সিগারেটের আগুনে , একমাত্র তোকে মনে করে ! স্নায়ুতে মায়াবন্ধনী তুই ; এই অবধারিত মন কষ্ট এক মূহুর্ত বিশ্রাম দেয়নি আমাকে ….. অথচ বহু দূর থেকে একই পথ ধরে চলতে চলতে গাছবৃষ্টি চোখের পাতা ভিজিয়ে ছিল ; সেটা একমাত্র তোরই জন্য হে প্রেম !

 

 

মৃত্যু মৃত্যু স্বপ্নগুলো জীবন্ত ফসিল ; এই প্রবাহমান সৃজন কষ্ট গুলো ইচ্ছানুযায়ী মরে ও বাঁচে এটা একমাত্র তোরই জন্য হে প্রেম , প্রিয় নারী ! অশরীর ভালোবাসা !!

 

 

( ৬ )

 

~ছোবল ~

 

 

 

এই অঘ্রাণেও

বেঁচে থাকবে অগণ্য সরীসৃপ , শীত ও প্রেত চিরহরিৎ বৃক্ষের অতলান্ত নীচে রাত্রির শিশিরের মত প্রতাঘ্ন বিষ গভীরতর দাঁতের দংশনে – পীড়নে সর্বঘ্ন জ্বালায় — এবং স্তব্ধ নির্জন ! এই অঘ্রাণে জানলা ভাঙে ঔষধি রাতের যৌনভূক চাঁদ ; চোখের তলানি ছেঁচে অবিরাম চুম্বনে অনন্ত অতীব সঙ্গম ,—–

এই মেয়েলি বয়স গর্ভের অনন্ত অতলান্ত কালহরণে তুষ্ট !

 

 

অন্য এক শীতল প্রহর , শেষে ও রাতের পরম আদরে মৃত নখের বিনম্র আঁচোড় —- এটাও অতিরিক্ত তীব্র হলাহলে আদীম বিলাসিতা যেন ৷

 

 

 

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভেঙে রাত ডুবে গেছে ,—- কঠিনতম শোকে ঘুমিয়ে অতি প্রাচীন পরজন্মের দেহের অসুখ – বিসুখ ভেতরের বস্ত্রহীন নগ্ন আবেগ নিঃশব্দে ও ভয়ে চোখে রাখে প্রহরশূন্য শীতল চিবুক !

 

 

এখন অঘ্রাণ ; ফুলের পরাগ মেখে ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে — আমার বিপরীতে , কোথাকার চেনা রাতে মৃত্যু এসে উলঙ্গ হয়ে লুকিয়ে ছিল উষ্ণ চাদরে ,……

 

 

এভাবে গরল জমে শরীরী স্মৃতিতে ; স্বপ্নহীন অথচ নির্ঘুম আঁধার ডুবে মরে স্বপ্নে ও ধ্যানে !

 

 

সে কি নারী ? মূর্তিমতী অভাগী ঈশ্বরী ; সে কী ছায়া অথবা অতীব অলীক কল্পনা ?

 

যাবতীয় অনিয়মে ভীষণ সর্বনাশী ? নিঃসঙ্গ নীরব , —-

ভয় হয় এই বিষ যদি আমাকে অহর্নিশ দংশায় !

 

 

বুকময় আগুন সাজিয়ে রাখি রাত ভোর ,—– মধ্যরাতে দরজায় আঘাত ; ক্রমাগত অনন্ত ছোবল !! প্রাণেতে বিষঢালা ঈর্ষার আচোড় !

 

 

 

 

 

 

( ৭ )

 

~মেঘ পালক ও বৃষ্টি ধ্বনি ~

 

 

 

চোখ বিছিয়ে অন্তর্হিত ; হাত এগিয়ে যেইনা ধরতে যাব , স্বপ্ন যেন সাদা পৃষ্ঠায় এ’ভাবেই কুপোকাত্ ! তবুও যেন এই ঘুমন্তে শ্রবণ দেখা ; নেহাতি হাজার কথার বর্ণিত আঁকিবুকি ,—-

 

আকাশটা ঠিক আগের মতোই এক শারীরীক রঙ বদলে ঐতিহাসিক ! মনের ভেতর মন রাঙিয়ে আনন্দে ডুবু-ডুবু ,—-

আকাশটা সে-ই পদ্য পাড়ায় ইচ্ছে করেই বুক পেতেছে সোহাগ দিতে আমার কাছে ! ও-ই আকাশের সুদূর থেকে বৃষ্টি ঝরে একই ধারায় ; হঠাৎ যেন কি হচ্ছিল সেই ধ্বনিতে মন ডুবিয়ে এই আমিটার অতলান্তে !

 

 

মেঘ পালকে ভাসছি আমি ; অতীত এবং ভবিষ্যতে ! অন্য কোন ইচ্ছা গুলো ভরদুপুরে তোর এঁকেছে জ্যোৎস্না শরীর , এই জন্যেই ভেতরশুদ্ধ ঋণী রইলাম প্রিয়ংবদা ; সবটুকুই পাগল আবেগে !

কতবারযে তোকে পেয়েছি মেঘ সরিয়ে ; গভীর থেকে স্বভাবতই এভাবে ঠিক মন পুড়েছে ,—– অসুখটা যে পরমুখোপেক্ষী ; এটাওতো আগে বুঝিনি !

 

 

বৃষ্টি বৃষ্টি চোখ খানি তোর ; বেশি বললে বিশ্বব্যাপী ! ওই চোখেতে সারা বছরই আমার কাছে আষাঢ় – শ্রাবণ ,—- যদিও ঠিক এই সময়ে বাতাস হতে ইচ্ছা করে ; একমাত্র তোর জন্যে প্রিয়ংবদা !

 

এইতো আমার ভিতরশুদ্ধ তুই ছাড়া কেউ নেই ,—– আমার যত দোষগুলোকে আকাশ তারায় গুণন্তি করে মিলিয়ে নিলাম ; হেয়ালী নয় , সত্যি বলছি প্রিয়ংবদা ! এবার আমায় ক্ষমা করে দে ; তোর শরীরে ভাসার জন্য পুণ্যবান হতে দে !

 

 

গোটা রাতটা আমার মতোই অর্ধেক অবিশ্বস্ত ; তবু আমায় ক্ষমা করিশ ঘুম হারানো নির্ঘুমেতে এমনি ভাবে ,—– মেঘ যেন সেই তেপান্তরে উড়তে উড়তে অনেকটা দূ-র প্রেম প্রবাহে ; অস্পষ্ট কুমারী ! এই ঘরেরই এই বিছানায় অহরাত্রি তোরই স্মৃতি ; কি করে যে ভুলতে পরি প্রিয়ংবদা ? বন্ধ চোখের ভেতর থেকে ক্রমাগত একই ধ্বনি ; সঙ্গী কিম্বা সহপাঠী ,—-

 

 

যদিও আমার এই চিঠিতে আসা যাওয়ার চেনা পথটা বৃষ্টির শব্দে শব্দে কি ভাবে যে দুঃস্বপ্নের ভেতর মুছে গেল ! একমাত্র তুই সাক্ষী থাকলি ওরে পাগলী !!

 

 

 

 

( ৮ )

 

একমাত্র এই তুমিটার জন্য

 

 

 

 

কিছু কী ফেলে আসতে হল ; মন ভর্তী অকেজো সংসার , হয়তো দূরের শহরের জনারণ্যের ভেতর এই তুমিটার একাকিত্ব ! শেষ ট্রেনটা দূ–রে চলে যেতে যেতে বিচ্ছেদের জ্বালায় পুড়ে ওঠে মন ; অন্য এক স্বপ্নের কথা স্মৃতির মধ্যে আজও অবসরে ভীষণ দারিদ্র !

 

 

 

কিছুটা দৃশ্যের ভেতর বাতাসে তোলে ঢেউ ; অচেনা সময় চোখের সামনে মেলে ধরে সন্ধিপত্র ,—– বাইরের আকাশে ভরে ওঠে প্রত্যন্ত জীবন ! সেখানে হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে যায় প্রথাগত শ্বাস – প্রশ্বাস ! অথচ এভাবেই উল্টো দর্পণে কারও কারও যান্ত্রিক ভাবে বেঁচে থাকার নির্জন বসবাস হয় !

 

 

 

বৃত্তের বাইরে থেকে কেউ দেখতে পেয়েছে ; পুরোনো শহরের জীবন ,——

 

অন্য রকম ছদ্মবেশ নিয়ে কেউ কেউ অমাইক হেসে ওঠে ; অন্য কোন বুকের ভেতর !

 

 

এই তুমিটা একই পুড়ছিল নিভৃতে ; চোখের সামনে আপাতত আজীবনের দুঃখগুলো এভাবেই কোল পেতে বসে ছিল দুঃখভরাতুর !

এই তুমিতে পেরিয়ে এলো সারা বছর জুড়ে লেখা কবিতার পঙক্তি ও স্তবক ; দিনরাতের দীর্ঘ ইতিহাস ব্যক্তিগত ভাবে দরজার ওপাশে অনুভবজাত , তবুও বিষাদ হয়ে সত্যের পথে বৃষ্টির মতন ঝরে যায় চোখের জল !

 

 

 

আমিতো এভাবেই

বাঁকচোরা রাস্তার পাশে একা একা দাঁড়িয়ে সেই তুমিটাকে খুঁজছিলাম ;

 

তুমি তখন একলা একলা পুড়ছিলে শমশানে , —– তবু জটিল নিভৃতে কাঁদে অন্য এক আমি ; ভেতরে ভেতরে দিগ্বিদিক ভেসে যায় ! একা সেই অন্তর্গত পথে ট্রেনটা স্টেশন ছাড়িয়ে কোথায় মিলিয়ে যায় ; এরই মাঝে অন্তঃস্থলে প্রতিধ্বনি শুনি রাত শেষ হতে হতে !!

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

( ৯ )

 

শরীরী পারফিউমের ঘ্রাণ

 

 

 

এ’ভাবেই

আযোনিসম্ভূত না হবার জন্যেই ; ভাগ্য রেখায় ভাস্বর স্ত্রীঅঙ্গ বস্ত্রহীন অর্ধেক রাতে জন্মদরজার কাছে গোপন সুরঙ্গ অঘোর তপস্যায় অফুরান স্বপ্নতে !

 

তবুও ছিঁড়েছি আমি মশারির দড়ি কালক্ষেপ না করে ,—– অতি নীরবতায় দেহ গন্ধে ঘুম ভেঙে গেলে মনের সাথে কথা হয় অত্যান্ত শতাব্দীব্যাপী ! কিছু কিছু দোষ চালিয়ে যেতে ভালো লাগে ; এই দোষে পুড়ছি রাতভোর বৃষ্টির ভেতর ,—– অন্য কোনো নিভৃতের অসুখ বিসুখ কপাল রেখায় চিরকাল থেকে যায় , এ’ভাবেই মেয়ে মানুষের নগ্নতায় আমার গৌরব চুম্বন অনুরাগে ভ্রূক্ষেপ করেনা পারিপার্শিক বৃষ্টিতে ভেজা তারাদের !

 

 

 

একটা কিছু ধরতে গিয়ে হাত এগিয়ে দিতেই সর্পাঘাত হয় ! মনের জানালা দিয়ে ভালো-বাসা মধ্যরাতে চুপিসারে শেষ রাস্তায় গিয়ে বৃষ্টির জমে থাকা জলে নৌকো ভাসায় !

 

 

 

একটু একটু করে তোর সমস্ত শরীর চোখ বুলিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখি নিঃশব্দে ,

তোর নগ্ন বুকে সাবান সাবান গন্ধ ; এখানেই আমার সারারাতের নির্ঘূম আশ্রয় ! তুই ঘুমিয়ে থাকলে সমস্ত শরীরী ভাষা বোবা হয়ে যায় ; তবুও গোপন দরজা দিয়ে আমার গোপলাঙ্গ হিংশ্র হয় থেকে থেকে ! কতবার আপত্তির কথা বেমালুম ভুলে ভীষণ সতর্কে স্পর্শ করতে করতে রাত হয় নিঃশ্ব ,—– তবুও তুমি ঘুমন্ত ঘুমেও অবুঝ নির্ঘুম একক !

 

এ’ভাবেই প্রতিরাতে তোর শরীরী সৌরভ মাখি ; ভেতর ভেতর জ্বলে উঠি নষ্ট কাপুরুষের বিবিধ চরিত্র দোষে !!

 

 

 

 

_________________________

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments