নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): নয়াদিল্লি: মণিপুরে জাতি হিংসার আড়ালে আসলে ভারত মাতাকেই হত্যা করা হয়েছে। বুধবার অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে গিয়ে মোদি সরকারকে এই ভাষাতেই নিশানা করলেন রাহুল গান্ধি। আর প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির ওই কথা শুনেই মারমুখী মেজাজে তেড়েফূড়ে আসরে নামেন কিরেণ রিজেজু-সহ ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা।
নিমিষেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লোকসভা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে। শাসক শিবিরের সাংসদদের আচরণে একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করতেও দেখা যায় তাঁকে।
এদিন অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে দ্বিতীয় দিনের বিতর্কের সূচনা করে রাহুল গান্ধি বলেন, ‘ভারত এক কণ্ঠস্বর। হৃদয়ের কণ্ঠ। আর মণিপুরে সেই কণ্ঠকেই হত্যা করা হয়েছে।’ শাসক বেঞ্চে বসা বিজেপি সাংসদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারাই মণিপুরে ভারত মাতাকে হত্যা করেছেন। আপনারা দেশভক্ত নন, দেশদ্রোহী। ভারত মাতাকে আপনারা রক্ষা করতে পারেননি। উল্টে খুন করেছেন।’
দীর্ঘ তিন মাসের বেশি সময় ধরে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য জ্বললেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদধূলি পড়েনি মণিপুরে। আর হিংসা জর্জরিত মণিপুরে প্রধানমন্ত্রীর না যাওয়া নিয়ে খোঁচা দিতে গিয়ে রাহুল বলেন, ‘তিন মাসের বেশি সময় ধরে জ্বলছে মণিপুর। নিরীহ মানুষ খুন হয়েছে। অনেক মা’কে হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী একবারও সেখানে যাওয়ার জন্য সময় করে উঠতে পারেননি। তার কারণ, তিনি মণিপুরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন না। বিজেপি মণিপুরকে ভাগ করতে চায়।’ মণিপুরে জাতি হিংসার শুরুতে সেনা নামালে পরিস্থিতির এত অবনতি হত না বলেও দাবি করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি।
‘




