HomeStateনিজেকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা! ইডির ধমক খেতেই জেরায় কেঁদে ফেললেন কেষ্ট

নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা! ইডির ধমক খেতেই জেরায় কেঁদে ফেললেন কেষ্ট

spot_img
- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): বুধবার সকাল থেকে দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে দফায় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করল ইডির আধিকারিকরা। গরু পাচারের মূল পাণ্ডা কে? কোথায় যেত গরু পাচারের টাকা? এ সব প্রশ্নের উত্তর পেতে মরিয়া এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির আধিকারিকদের লাগাতার প্রশ্নের মুখে পড়ে কেঁদে ফেললেন কেষ্ট। বীরভূম জেলায় যাঁর দাপটে বাঘে হরিণে একঘাটে জল খেতো সেই কেষ্ট মণ্ডলের এমন পরিস্থিতিতে হতবাক ইডি কর্তারাও।

দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে অনুব্রত মণ্ডলের শুনানি হয় রাত ১২ টার পর। সেই শুনানি শেষে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়ে জেরা। কেষ্টকে জেরা করতে ইডি-র তরফে ৬ সদস্যের তাবড় তাবড় আধিকারিকদের নিয়ে যে দল গঠন করা হয়। সেই দলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় এই সংস্থার স্পেশাল ডিরেক্টর বিবেক আর ওয়াদেকার, স্পেশাল ডিরেক্টর রাহুল নবীন, সনিয়া নারাং, স্পেশাল ডিরেক্টর মনিকা শর্মা, সুনীল কুমার যাদব, যোগেশ শর্মা ও সোহান কুমার শর্মা।

ইডি সূত্রে খবর, এদিন সকালে জেরা শুরু করতেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন কেষ্ট মণ্ডল। তাঁকে প্রথমেই প্রশ্ন করা হয় গোরুপাচারের মূল মাথা কে? গোরু পাচারের টাকা কারা কারা কিভাবে পেয়েছে? এর পেছনে কোন কোন প্রভাবশালী জড়িত? এরপর অনুব্রতকে তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যবসায়ীর বয়ানের রেকর্ড সামনে তুলে ধরেন তদন্তকারী অফিসারেরা। প্রথমে সে সব অনুব্রত অস্বীকার করেন বলেই জানা গিয়েছে। তিনি বারবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু তাঁর মেয়ে সুকন্যার বয়ান সামনে আনতেই আর এড়াতে পারেননি বলে সূত্রের খবর। এরপর তাঁর সামনে তুলে ধরা হয় তাঁর প্রাক্তন দেহরক্ষী তথা এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সায়গল হোসেনের বয়ান। এরপরই অফিসারদের সামনে কেঁদে ফেলেন অনুব্রত মণ্ডল।

ইডি সূত্রের খবর, এদিন তিনি ইডিকে বলেন, ‘আমি কোনও

অন্যায় করিনি।’ এরপরই জেরা চলাকালীন ‘ধমক’ দেন আধিকারিকরা। ইডি কেষ্টর কাছ থেকে জানার চেষ্টা করছে, গোরু পাচারের পেছনে মুল মাথা কার? তিনিই গরু পাচারের মূল পান্ডা কি না জানতে চান।

অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার বেশ কয়েক মাস আগেই আগেই তাঁর মেয়ে সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করা হয়েছিল ইডির সদর দপ্তরে। আর কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছেন। সুতরাং অনুব্রতকে কোন বয়ান সামনে রেখে প্রশ্ন করা হবে, তা আগে থেকে প্রস্তুত ছিল বলেই ধরে নেওয়া যায়। সম্ভবত সই সব অস্ত্রই প্রয়োগ করছেন আধিকারিকরা।

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments