নিজস্ব প্রতিনিধি(অর্পিতা): যোশীমঠ থেকে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে মানা গ্রাম, এই গ্রামটি হল ভারতের সবথেকে শেষতম গ্রাম। মহাভারত অনুযায়ী বলা হয়েছে যে দ্রৌপদী সহ পঞ্চপান্ডব এই গ্রাম থেকেই মহা প্রস্তানের জন্য যাত্রা করেছিলেন। এই গ্রামের মধ্য দিয়েই বইছে সরস্বতী নদী।ভীম এই সরস্বতী নদীর ওপরই দ্রৌপদীর জন্য একটি সেতু তৈরি করেছিল। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী জানা গেছে যে এই গ্রামের শুরুতে ব্রহ্মার মুখ গহ্বর থেকে দেবী সরস্বতীর আবির্ভাব হয়েছিল।এই সরস্বতী নদীর জলেই স্নান করে মহাভারত এবং পুরান রচনা করেছিলেন ব্যাসবেদ। এই গ্রামটি উত্তরাখণ্ডের চামলি জেলাতে গ্রামটি সমুদ্র তল থেকে প্রায় ৩,১১৫ মিটার উঁচু। এই গ্রামটিকে দেখার জন্য বহু পর্যটক বাইরে থেকে আসেন।বদ্রিনাথ ধাম থেকে এই গ্রামের দূরত্ব তিন কিলোমিটার। যদি এই গ্রামে একবার প্রবেশ করা হয় তাহলে মনে হবে যেন স্বয়ং স্বর্গে পৌঁছে গেছেন। এই গ্রামে ঢোকার সময় একটি বড় উঁচু গেট আছে যেখানে লেখা রয়েছে,” দা লাস্ট ইন্ডিয়ান ভিলেজ”।সরস্বতী নদীর উপর দেখা যাবে একটি বিরাট পাথর সেতুর মতো রয়েছে। মনে করা হয় যে এই সেতুটি দ্রৌপদীর জন্য ভীম তৈরি করে দিয়েছিলেন। আজও যদি এই গ্রামে যাওয়া হয় তবে দেখা যাবে সেই ভীম সেতুর কাছে ২০ ফুট লম্বা একটি পায়ের ছাপ ও দেখতে পাওয়া যাবে।যেটা মনে করা হয় যে ভীম এর পায়ের ছাপ।এছাড়াও এই গ্রামে গুহা রয়েছে। এই গুহায় বসেই মহামতি ব্যাসবেদ চতুর্বেদ রচনা করেছিলেন। এই গুহাটি ব্যাস পুস্তক নামেও পরিচিত।




