নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার): এখনও জ্বলছে মণিপুর। তানা তিন মাস ধরে ধরে অশান্তির আচ এতটুকুও আলনি শাসিত এই রাজ্যে। ভোররাতে সেখানে এক বাসস্থান বিতরন্ত ঘুমন্ত তিন বার বার করা হয়। পরিস্থিতি ফের অগ্নি গ্রোপ হয় মণিপুরে। শনিবার রাতই মণিপুরে ১০ কোম্পানি আধাসেনা কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে বীরেন সিং থেকে সমর্থন ছেড়ে যাওয়ার কথা সামনের দিকে কুকি পিপলস অ্যালেন্স। এই কাজে এনডি এর ব্যবহার বেশ বড় ধাক্কা বলে মনে করছে মহল।
দাঙ্গা বিধ্বস্ত মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং পদত্যাগ দাবি আদায়েরা। এনডিএ বিপদ পিপের শরিক কুকি কুকি অ্যালেন্স অ্যালেন্স, বীরেন সিং গণ থেকে সমর্থন নিল মণিপুরে। যা নিঃসন্দে মণিপুরে উত্তরে একটি বড় ঘটনা। এপর্যন্ত মনিপুরে শোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে দেশ দাঙ্গায়। এর আগে, মণিপুরের দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে প্যারাড করা হচ্ছে এমন ভিডিও ভাইরাল হয়। দেশ স্থান ধিক্কার সীমা এই অমানবিক গর্জে গোটা দেশ।
এক ঘোষণা জারি পিপলস তরফে তরফে বলা হয়েছে কুয়েন্সিকে, ‘বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি কংগ্রেস নেতা এন বীরেনিং সলায় বর্তমান মণিপুরের পক্ষের প্রতি সমর্থন আর ফলপ্রসূর নয়। সেই মতো, মণিপুর সরকারকে কুকি পিপলস অ্যালেন্সের সমর্থন এতদ্বারা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এটি বাতিল বলে বিবেচিত হতে পারে।’
উল্লেখ্য, মণিপুরে সংঘাত শুরু হয় গত ৩ মে। ঠিক, মেই পাই ওকুকি সাংবাদিকদের মধ্যে এই সংঘাত রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি শুরু করতে। জ্বলতে থাকে এন বীরেন সিং শাসিত মণিপুর। তিন মাস ইরানীও, শান্তি ফেরেনি মণিপুরে। গণতন্ত্র, রিজাভ ফরেস্টের কাছে কুকি গ্রামগুলি গ্রহণ করাই এই সংঘাত আরও স্বীকার করে নেওয়া। মণিপুরের ৫৩ শতাংশ জনবসতি মেইদের। আরন বহুরই বসবাস ইম্ফল উপকায়। আর ৪০ শতাংশ নাগা, কুকি রা সত্য পাহাড়ি জায়গায় বসবাস করে।




