নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়):আবাস যোজনায় স্বজন পোষণের অভিযোগে চাঁচল-২ বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়ায় মালতীপুরে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, যাঁরা আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার যোগ্য তাঁদের নাম তালিকায় নেই। উল্টে যাঁরা যোগ্য নন তাঁদের নাম রয়েছে। এর প্রতিবাদেই এদিন বিক্ষোভে শামিল হন বাসিন্দারা। এদিকে, বাসিন্দাদের বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। তাঁরাও এই বিক্ষোভে শামিল হন। বিজেপির অভিযোগ, প্রকৃত প্রাপকদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তাই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তবে শাসকদলের পাল্টা দাবি, লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে বিডিও অফিস ঘেরাও করাচ্ছে বিজেপি।
বিক্ষোভে শামিল হজরত আলি বলেন, ‘তালিকায় নাম তোলার জন্য তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য আমার কাছে টাকা চেয়েছিলেন। টাকা দিতে না পারায় আমি ঘরের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’
এদিন বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক রতন দাস ও জেলা কমিটির সদস্য তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুভাষকৃষ্ণ গোস্বামী। তাঁদের অভিযোগ, অসহায়, দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলির নাম ঘর প্রাপকদের তালিকায় নেই। তাই তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। মালতীপুরে আবাস যোজনার তালিকা তৈরিতে দুর্নীতি হয়েছে। রয়েছে স্বজন-পোষণও। প্রকৃত প্রাপকদের বঞ্চিত করে তালিকায় নাম রাখা হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।
এবিষয়ে মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুররহিম বকসি বলেন, ‘বিজেপি সস্তার রাজনীতি করতে চাইছে। তাই সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ব্লক অফিস ঘেরাও করে ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করছে। সমীক্ষা চলছে। প্রকৃত প্রাপকরাই ঘর পাবেন। স্বজন পোষণের অভিযোগ মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন।তবে চাঁচল-২ এর বিডিও দিব্যজ্য়োতি দাস সকলকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘যোগ্যরাই আবাস যোজনার ঘর পাবেন। বাকিদের নাম কাটা যাবে। পাশাপাশি নতুন করে আবেদনপত্রও গ্রহণ করা হচ্ছে। আবেদনপত্র জমা নেওয়ার পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। তারপর নতুন তালিকা তৈরি হবে।’




