HomeUncategorizedপরকীয়াতে মত্ত বিবাহিত স্ত্রী ও বিবাহিত যুবক, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে মহিলার স্বামী...

পরকীয়াতে মত্ত বিবাহিত স্ত্রী ও বিবাহিত যুবক, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে মহিলার স্বামী ও ছেলে

spot_img
- Advertisement -

 

নিজস্ব প্রতিবেদন : সম্পর্ক ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় এক বছরের অধিক। উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের ২৫ নম্বর ওয়ার্ড দেবীনগর জল ট্যাংকি এলাকায় বাড়ি বিদূর মন্ডলের ছেলে বিবাহিত বিজয় মন্ডল নামে যুবক ফেসবুকের মাধ্যমে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পৌরসভার 12 নম্বর ওয়ার্ডের দত্তপাড়া এলাকায় উজ্জ্বল দে সরকারের মেয়ে পূজা দে সরকারের সাথে অবৈধ সম্পর্ক ও পরকীয়া। দুজনেই বিবাহিত দুজনেরই সন্তান আছে। সেই পরকীয়াতে এমনভাবে দুজনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত যে কারণে বিবাহিত মহিলা গঙ্গারামপুরের পূজা দে সরকার নিজের স্বামী সন্তানকে ছেড়ে দিয়ে হিলিতে বর্তমানে স্থায়ী বাসিন্দা উজ্জ্বল দে সরকার তার বাপের বাড়িতে গিয়ে পড়ে রয়েছে বসে থেকে পরকীয়াতে মত্ত হয়ে সারাদিন ফোনে প্রেমে চালাচ্ছে। ঘটনার সূত্রপাত বিগত তিন মাস ধরে। গঙ্গারামপুর শহরের দত্তপাড়া এলাকায় উজ্জ্বল দে সরকারের মেয়ে যিনি বর্তমানে হিলি মাস্টারপাড়া আব্দুর আদিবাসী পাড়ার প্রাইমারি স্কুলের পাশে থাকেন যিনি হাটে হাটে ওষুধ বিক্রি করেন তারই প্রথম পক্ষের বড় মেয়ে পূজা দে সরকার তার সাথে ২০১১ সালে ১৩ ডিসেম্বর বুনিয়াদপুরের যুবক প্রেম তারপর বাড়ির মধ্যে দুজনেই পালিয়ে বিয়ে করে। ১২ বছরের সম্পর্ক তাদের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তির আগমনে তাদের সম্পর্কে মারাত্মকভাবে ফাটল ও চির ধরেছে। আর তার প্রধান কালপ্রিট উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গজ দেবীনগর জল ট্যাংকির এলাকায় বিদূর মন্ডল এর ছেলে বিজয় মন্ডল ও পূজা দে সরকারের ঠাকুমা শেফালী দে সরকার। পূজা দে সরকারের স্বামী তার স্ত্রীর এই পরকীয়া হাতেনাতে ধরে এবং তার কাছে প্রচুর প্রমান রয়েছে সে অস্বীকার করলেও তার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ বিভিন্ন জায়গায় অডিও রেকর্ডিং ছেলেটির ফোন করা থেকে শুরু করে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল কিন্তু বিগত কিছুদিন আগে ফের নভেম্বরের ৩ তারিখে সে হিলিতে তার বাপের বাড়িতে চলে যায় এবং তার দুদিন আগে এক তারিখে ফোনে কথা বলতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ে স্বামী জয়দীপ মৈত্রের কাছে। এরপর সারারাত তাদের মধ্যে অশান্তি চলে উপরন্ত তারা যে বাড়িতে ভাড়া ছিল সেই বাড়ির লোকও সে বিষয়টি জানতো এবং তারাও প্রতিবাদ করেছিল এবং পূজা দে সরকারকে বুঝিয়েছিল এসব পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। এরপর ওই রাতে এবং যেদিন পূজারী সরকার তার বাপের বাড়ি হিলিতে চলে যায় সেদিন বিজয় মণ্ডল নামে ছেলেটি তার স্বামী লজিক মিত্র কে ফোন করে নানান ভাবে হুমকি দেয় ভয় দেখায় বলে 50 লক্ষ টাকা দিচ্ছি তোর স্ত্রীকে ছেড়ে দে এবং নানান ভয়ও দেখায় এবং তাকে মানসিক নির্যাতন করে যে কারণে প্রতিনিয়ত ভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে বর্তমানে পূজা দে সরকারের স্বামী জয়দীপ মৈত্র। এরপর পূজা দে সরকার সেদিন হিলি চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এবং সেদিন হিলিতে যাওয়ার পিছনে বিজয় মন্ডল এর প্রচুর ভাবে চক্রান্ত ছিল এবং পূজা দে সরকারেরও মানসিকভাবে ইচ্ছা ছিল হিলিতে গিয়ে স্বাধীনভাবে বিজয়ের সাথে ফোনে কথা বলা তার সঙ্গে দেখা করা অবৈধভাবে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার। ত্রিপূজা দে সরকার হিলিতে যাওয়ার পর তার বাপের বাড়ি যাওয়ার পর স্বামী জয়দীপ তাকে আনতে গিয়েছিল কিন্তু তাকে তার বাপের বাড়ির লোকেরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ অপমান করে ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয় এবং তাকে গালিগালাজ করে বের করে দেয় বাড়ি থেকে। এরপরেও উপজাতি সরকারের সাথে অনেকবার কথা হলো গত ১৪ই নভেম্বর থেকে তার সাথে পুরোপুরি ভাবে সমস্ত জায়গা থেকে ব্লক করে দেওয়া হয় তারপরে আরো মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে জয়দীপ মৈত্র। এরপর জয়দীপ মৈত্র কোনক্রমে কোনোভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর জল ট্যাংকি এলাকায় বিদূর মন্ডল এর ছেলে বিজয় মণ্ডলের বাড়ির লোকের নম্বর জোগাড় করে তাদেরকে এই পুরো বিষয়টি খুলে বললে বিজয় মন্ডলের সাথে তার বাড়ির লোকের একটি অশান্তি বাঁধে এবং তারপর এই বিজয় মণ্ডল পুনরায় ত্রিপুরাতে সরকার কে ফোন করেছে বিষয়টি জানালে পূজা দে সরকার এবং তাকে হুমকি দেয় গালিগালাজ করে মানসিকভাবে চাপ দেয়। তারা নিজেদেরকে জনসমক্ষে ব্যাপারটি আসার পর ফেসবুক ফ্রেন্ড বলে জানায় কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ফেসবুক ফ্রেন্ড ফেসবুক মেসেঞ্জারেই ঠিক আছে কিন্তু একজন বিবাহিত পুরুষ এবং একজন বিবাহিত স্ত্রী ফেসবুক ফ্রেন্ড হলেও তাদের কাছে ফোন কল whatsapp কলিং ভিডিও কলিং কথা বলা ঘণ্টা পর ঘন্টা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেটা কি কখনো মানায়? গভীরভাবে সম্পর্কের মধ্যে জড়িত আর যেটাকে সমর্থন করছে পূজা দে সরকারের বাড়ির লোক তার বাবা উজ্জ্বল দে সরকার তার ঠাকুমা শেফালী দে সরকার এবং তার সৎ মা বুলু দে সরকার মহন্ত। এরপর গত নভেম্বর মাসের ২১-২২ অথবা ২৩ এই তিন দিনের মধ্যে এরা দুজনই কোথাও দেখা করে যেটার ছবি বিজয় মন্ডল তার ইনস্টাগ্রামে ছাড়াই এবং সেখানে তাদের হাতে হাত রাখার ছবি পাওয়া গেছে যেটিকে স্বামী যদি মূত্র পূজা দে সরকার স্ত্রীকে জানালে সেটা অস্বীকার করে সে বলে সেটি তার হাতের ছবি না কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ১২ বছর সংসার করা হলো এবং প্রেম করে বিয়ে সেখানে স্বামী কি তার স্ত্রীর হাত-পা মাথা চিনবে না প্রশ্ন জন সম্মুখে স্ত্রী পূজা দে সরকার তার সঙ্গে দেখা করেছে কোন হোটেল বা রেস্টুরেন্টে এবং এটা চিরন্তন সত্যি এটা সত্যি যে চোর চুরি করলে কখনো স্বীকার করে না তাই এই ঘটনার সাথে সেই ঘটনার কথা ও একই ভাবে মিলে যাচ্ছে। এছাড়াও তারা দুজনে সারাক্ষণ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফোনে গল্প করে তা ঠাকুমার ফোন তার বাবার ফোন বা তার মায়ের ফোন থেকে এবং ফোনে তারা সব রকমের গল্প করে তারা যৌনতা নিয়েও গল্প করে সেরকম প্রমাণ ও পেয়েছে স্বামী জয়দীপ মৈত্র।গত তিনে নভেম্বর হিলিতে বাপের বাড়িতে যায় পূজা দে সরকার এবং গত ২৫ নভেম্বর হিলি থানা তে স্বামী জয়দীপ মৈত্র এবং তার মা-বাবার নামে হিলি থানা তে বধূ নির্যাতনের মামলা ৪৯৮ ধারায় মিথ্যে মামলা দায়ের করে। কারণ স্ত্রী পূজা দে সরকার ও স্বামী জয়দীপ মৈত্র গঙ্গারামপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকত তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত না সে ক্ষেত্রে মা বাবার নামেও মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বধূ নির্যাতনে পারতো পক্ষে তাদের একটি সন্তান আছে যার বর্তমান বয়স ৯ বছর সেই ছেলেকে তার মা কোনদিনই দেখতো না সেই কারণে সন্তানকে ছোট থেকে স্বামীজীর মত তার মা-বাবার কাছে রেখেছিল বর্তমানে সেখানেই আছে। আগাগোড়ায় শুরু থেকেই পূজা দে সরকার কথার অবাধ্য কোন কথাই শুনতো না, স্বামী জয়দীপ মৈত্র কোন কিছু নিষেধ করলে সেটা কাজগুলো করতো ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতো বিবাহিত যুবক ও তার প্রেমিক বিজয় মন্ডল এর সাথে এবং সেই কারণেই বিগত প্রায় আড়াই মাস ধরে স্বামী জয়দীপপুত্র কে বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্লক করে রেখেছে। এত কিছু ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও অবিজয়ের সাথে ওতপ্রুত ভাবে সম্পর্ক থাকার পরেও প্রেমিক বিজয় মন্ডল ফোন করে হুমকি দেই প্রতিনিয়ত।এত কিছু ঘটনা ঘটার পরও পুনরায় সংসার করতে চায় স্বামী-স্ত্রী মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকে সকলের। কিন্তু তা বলে এইভাবে পরকীয়াকে সফল করার জন্য মিথ্যে মামলা দায়ের করে সন্তানকে ফেলে রেখে স্বামীকে ফেলে রেখে এক বিবাহিত যুবকের প্রেমে মত্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তপাড়া এলাকার উজ্জ্বলদের সরকারের বড় মেয়ে পূজা দে সরকার যে বর্তমানে তার বাবা উজ্জ্বলদের সরকার হিলিতে থাকে সেখানেই সে রয়েছে এবং ঘন্টার পর ঘন্টা রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর জেলার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিদুর মন্ডলের ছেলে বিজয় মণ্ডলের সাথে দেবীনগর জল ট্যাংকি এলাকায় বাড়ি ফোনে কথা বলে এবং তারা দুজন দুজনকে ফোনে কথা বললেও স্বামী জয়দীপ যখন হাতেনাতে ধরে বারংবার তাকে অস্বীকার করে এখনো তা প্রতিনিয়ত চলে যাচ্ছে এবং বারংবার ফোন করলেও বিজয় মণ্ডল থেকে মাইন্ড ডাইভার্ট করার চেষ্টা করে এবং বিজয় মণ্ডল যদি ফোন করে বলে তার স্ত্রীর নাকি চরিত্র খারাপ তার স্ত্রী আবার এই কথা বলার পর বিজয় মন্ডল স্ত্রী পূজা সরকার প্রেমিকার সাথে ব্যস্ত হয়ে যায় অর্থাৎ এখানে বিজয় মন্ডল নিজের শেপ সাইট খুঁজে এবং গেম খেলছে আর এই কথাটাই স্বামী সরকারকে বারবার বোঝানো সত্ত্বেও এবং বোঝানোর চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছে বলা মাত্র কোনোভাবে বোঝাতে পারছে না এত কিছু ঘটনার পরও ওই কালপ্রিট নোংরা বাজে ছেলে বিজয় মণ্ডলের হাত থেকে স্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে স্বামী মূত্র এত কিছু ঘটনার পর ফের পুনরায় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতে চায় ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে নতুন করে সংসার করতে চায় আর সেই কারণে সে বিচার চায় সবার কাছে এবং ওই ছেলেটি অর্থাৎ উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর মন্ডলের ছেলে বিজয় মণ্ডলের শাস্তি চাই স্বামী জয়দীপ মৈত্র পাশাপাশি স্ত্রী পূজা দে সরকারের ঠাকুমা শেফালীতে সরকার বাবা উজ্জ্বল দে সরকার ও মা বুলু দে সরকার মহন্ত পুরো ঘটনাটি জানে এবং তাদের ফোন বিজয় মন্ডল এর সাথে প্রেম করার জন্য দিয়ে দেয় যেটা অনেকেই তাদের এলাকার লোক দেখেছে এবং কন্টিনিউ ঘন্টার পর ঘন্টা তারা কথা বলে। বারংবার যদি পুত্র প্রায় হিলিতে যাওয়ার পর চার-পাঁচবার আনতে গেলেও তার সঙ্গে ফিরে আসেনি মুখে বলে সংসার করবো না কিন্তু চায় তার সঙ্গে নতুন করে আবার ভালোভাবে থেকে সংসার করতে তাহলে এই ক্ষেত্রে মানতে হবে যদি মূত্র তার নিজের জায়গায় ঠিক আছে কিন্তু পূজাতে সরকার এটি অন্ধ মোহমায়া ও মরীচিকার পেছনে দৌড়াচ্ছে যা বলাই বাহুল্য। অতঃপর শেষ পর্যন্ত পরকীয়াতে মত্ত স্ত্রী পূজা দে সরকার ও উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর জল ট্যাংকি এর বাসিন্দা বিদুর মন্ডলের ছেলে বিজয় মণ্ডল যে নিজেও বিবাহিত বউ-বাচ্চা থাকাকালীন অন্যের সংসার ভেঙে নষ্ট করছে ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে আর স্বামী যদি তোকে ফোন করে মাইন্ড করার চেষ্টা করে এবং হুমকি দেয় পুজোকেও পুরোপুরি মাইন্ড ডাইভার্ট করিয়ে রেখেছে এবং তার বাড়িতে নিশ্চয়ই এমন কিছু মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বা কোনো প্রতিশ্রুতি বা লোভ দেখানোর ফলে পূজাতে সরকারের বাড়ির লোক তার সাথে কথা বলতে দেই চায় সব সময়। যেহেতু পূজা দে সরকারের বাবা অর্থাৎ জয়দেব মৈত্রের শ্বশুরের আর্থিক অবস্থা একদমই খারাপ। অতঃপর ও এ বিজয় মন্ডল নামে কালপিট ছেলেটির শাস্তি চাই এবং পূজা দে সরকার স্ত্রী সব কিছু ভুল ভাঙতি ভেঙে এই থেকে বেরিয়ে আসুক ফিরে এসে পুনরায় সংসার করুক এবং তাদের ন বছরের সন্তান ছেলেটিকে মানুষ করুক ভালোভাবে এবং সংসারটা ভালোভাবে টিকে থাকুক অনুরোধ করে করজোড়ে নিবেদন স্বামী জয়দীপ মৈত্রের। এর পাশাপাশি ন্যায্য বিচার চায় সকলের কাছে। সর্বশেষ, উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগর জল ট্যাংকি এলাকার বাসিন্দা বিদুর মন্ডলের ছেলে বিজয় মণ্ডল যে বিবাহিত বউ বাচ্চা থাকাকালীন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে বিবাহিত মহিলা পূজা দে সরকারের সাথে পরকীয়াতে মত্ত আর যা কিনা সমর্থন করছে পূজা দে সরকারের বাড়ির লোক তথা বর্তমানে তারা হিলি মাস্টারপাড়া পশ্চিম আপতর আদিবাসী পাড়া প্রাইমারি স্কুলের পাশে ডাক্তারের বাড়ি বললেই চিনবে উজ্জ্বল দে সরকার, তার মা শেফালী দে সরকার তার স্ত্রী বুলু দে সরকার মোহন্ত এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং পূজা দে সরকারকে সর্বসময় সমর্থন করে বিজয়ের সাথে ফোনে কথা বলতেও তার সাথে প্রেম করতে এমনকি এরকম শোনা গেছে যে বিজয় মন্ডল তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে পূজা দে সরকারের সাথে নতুন করে সংসার করবে। আর যে ঘটনার জন্য প্রচন্ডভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং বিপর্যস্ত স্বামী জয়দীপ মৈত্র এবং তাদের 9 বছরের সন্তান এবং স্বামী যদি মৈত্র এত কিছু ঘটনার পরও স্ত্রীকে ফেরত চাই এবং ভালোভাবে সংসার করতে চায় সন্তানটিকে মানুষ করতে চায় ভালোভাবে এবং চায় এই প্রধান কালপ্রিট বিজয় মন্ডল এর শাস্তি হোক জানো পরে আর কোন কারো সংসার এভাবে নষ্ট না করে।

 

RELATED ARTICLES
spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments