নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): মনোনয়ন পত্র জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে, মড়ি-মুড়কির মত চলল বোমাবাজি। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে, পুলিশি নিরাপত্তায় মোড়া ভাঙড়ের দু নং বিডিও অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে বিজয়গঞ্জ বাজারে।
ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছেন আইএসএফ বিধায়ক। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব কমিশনের।
অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি ও এই বৃষ্টি হয়। পিছু হটতে হয় পুলিশকেও। রক্তাক্ত হন কাশিপুর থানার এক এসআই। শতাধিক বোমা ও সাত রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। বোমার স্প্লিন্টারে এক আইএসএফ কর্মী আহত হয়েছেন বলেও দাবী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, মনোনয়ন আটকাতেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাদের লক্ষ্য করে এই বোমাবাজি শুরু করে।
এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির দাবী, বোমাবাজির খবর দিতে আসায় আটক করা হয়েছে তাকে। অপরদিকে পুলিশের দাবী, বোমা বাঁধার সময় তাকে আটক করা হয়েছে।
এই পুরো ঘটনার পেছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে বলে দাবী ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর। তাঁর দাবী, তাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন আটকাতে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। ওদিকে ভাঙড়ের এই ঘটনায় পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন।
উল্লেখ্য, রাজ্যে ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্ব। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব ঘিরে জেলায় জেলায় অশান্তির খবর। কোথাও গুলি চালানোর অভিযোগ, কোথাও বা বোমাবাজি। বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ায় বাঁধা দিচ্ছে শাসক দল, এমনই অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।




