নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের পর এবার তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধতে নওশাদ সিদ্দিকীর আইএসএফ-এর দিকে হাত বাড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর কথায়, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, তিনি একা লড়াই করে লোকসভা ভোটে জিততে পারবেন না।
তাই চব্বিশের ভোটে সিপিআইএম ও কংগ্রেসের পাশাপাশি এবার নওশাদ সিদ্দিকীর আইএসএফ দলের দিকেও এখন হাত বাড়াচ্ছেন তিনি ।”
ভাঙড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় দিবস পালনে তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার পক্ষ থেকে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদকে আমন্ত্রণ জানানো প্রসঙ্গে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ”গত পঞ্চায়েত ভোটে বিডিওদের সাহায্যে ভোট লুঠ করেছে শাসক দল। অবাধ ভোট হলে সব জায়গায় পরাজিত হত তৃণমূল। ব্যালট পেপার খেতেও দেখা গিয়েছে। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে লোকসভায় আর ব্যালট বা ইভিএম খেয়ে বাংলায় ভোট লুট করা যাবে না। তাই এখন নওশাদ সিদ্দিকীর দলের দিকেও হাত বাড়াচ্ছে তৃণমূল।”
শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে শুভেন্দু বলেন, ”লোকসভার ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চটিপড়া পুলিশ থাকবে না। সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে ভোট হবে। যে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সেই সিপিআইএমের সঙ্গে এখন তিনি হাত মিলিয়েছেন।”
পটনা এবং বেঙ্গালুরুর বৈঠককে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু এও বলেন, ”যে রাহুল গান্ধিকে তিনি এক সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন এখন তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী বলছেন মাই ফেভারিট রাহুল। কিন্তু ওসব করে কোনও লাভ হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ মানুষ বর্তমানে তৃণমূলের পতন চায়।” বিরোধী দলনেতার জোর গলায় দাবি, ”সংখ্যালঘুদের সিএএ আর এনআরসি-র ভয় দেখিয়ে আর শেষরক্ষা হবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘নো ভোট টু’ মমতার ক্ষেত্রে একমাত্র বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে এমন রাজনৈতিক দল হিসেবে বিজেপির প্রতিই এ রাজ্যের মানুষের আস্থা রয়েছে।”




