নিজস্ব প্রতিনিধি(রজত রায়): সম্প্রতি রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে এবার থেকে মিড ডে মিলে পাওয়া যাবে মুরগির মাংস এবং মরসুমি ফল। তবে আপাতত চার মাসের জন্য এই নতুন মেনু নির্ধারিত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এই ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোরদার সমালোচনা। স্বাভাবিকভাবেই এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণ ব্যাখ্যা করছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের মতে, হঠাৎই রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নেবার অন্যতম কারণ- সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।
বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে ভোট রাজনীতি বলে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “ভোট এলে মনে পড়ে। উনি এভাবেই সব ইলেকশন জিততে চান।” আর এবার কেন্দ্রীয় বিজেপি সহ-সভাপতিকে জবাব দিলেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বস। কার্যত মিড ডে মিলে চিকেন এবং মরসুমি ফল দেওয়া নিয়ে পাল্টা ব্রাত্য বসু বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট পশ্চিমবঙ্গে আছে।কিছুদিন আগে ত্রিপুরায় হয়েছে, কিছুদিন আগে উত্তর প্রদেশে হয়েছে। উত্তর প্রদেশ তো না হয় ধরে নেওয়া যাক নিরামিষাশী।
ত্রিপুরায় তো পঞ্চায়েত ভোটের সময় কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা গিয়েছে। ত্রিপুরা সরকার কেন বাচ্চাদের চিকেন দিতে পারল না? আপনারা যদি প্রত্যন্ত স্কুলে যান, দেখবেন বাচ্চারা আনন্দ পাচ্ছে, খুশি হচ্ছে। খাবারটা যখন খাচ্ছে, ওদের চোখ চকচক করে উঠছে। এই আনন্দকে যাঁরা কটাক্ষ করছেন, আমার মনে হয় এমন রুচিহীন কথা যাঁরা বলেন, যাঁরা বাচ্চাদের আনন্দ নিয়ে ঠাট্টা করেন, তাঁদের কথার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।” ব্রাত্য বসুর জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদের তরফ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে মিড ডে মিলের বিষয়টি নিয়ে যে বাংলার রাজনৈতিক মহলে জলঘোলা শুরু হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।




