নিজস্ব প্রতিনিধি(সতীশ কুমার ): নিয়ম ভাঙলেন খোদ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী! সদ্য ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপিং অন্তত সেকথাই বলছে। যদিও ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক । স্বীকার করেছেন, সিটবেল্ট খুলে তিনি ভুল করে ফেলেছেন। তবে বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে লুফে নিয়েছে বিরোধী লেবার পার্টি । সুনকের এই ‘ভুল’ নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে সমালোচনা।এমনিতেই এই মুহূর্তে সবসময় চর্চায় ঋষি সুনক তিনি। নতুন পদ, ক্ষমতা কীভাবে সামলাচ্ছেন, কী কী নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন, সেসব নিয়ে রোজ চর্চা। তবে এবার ক্ষমা চাইলেন তিনি। আচমকা দেখা যায় প্রচার অভিযানের ভিডিও করার সময় গাড়িতে ছিলেন, অথচ তিনি সিটবেল্ট পরেননি। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় সমালোচনা। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই লিখতে শুরু করেন, ফের নিয়ম ভাঙলেন তিনি। নিয়ম সকলের জন্য এক হওয়া প্রয়োজন।
ব্রিটেনে যাত্রীদের জন্য কড়া নিয়ম রয়েছে, যাত্রীরা নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া গাড়িতে সিটবেল্ট আটকাতে বাধ্য। অন্যথায় মামলা আদালতে গেলে ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে। সেখানে খোদ ঋষির এহেন সিটবেল্ট ছাড়া ভিডিও দেখে ক্ষুব্ধ অনেকেই। তবে ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, একটি ছোট্ট ভিডিও ক্লিপের জন্য সাময়িক সময়ে এই সিটবেল্ট খুলেছেন তিনি। তিনি নিজের ভুল সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করেছেন। মুখপাত্র আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, প্রত্যেকের অবশ্যই সিটবেল্ট পরা উচিত।
বিরোধী লেবার পার্টির অ্যাঞ্জেলা রেনার বলেছেন, “ঋষি সুনকের যে প্রাইভেট জেটে যাতায়াত করাই অভ্যাস, তা বোঝা যাচ্ছে।” তার জবাবে ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র পালটা দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশ ঘুরে বেড়ান। তাঁকে তো কম সময়ের মধ্যে সেসব জায়গায় পৌঁছতে হয়। নানা ধরনের পরিবহণে যাতায়াত করতে হয়।” সম্প্রতি তাঁর পরিবহণ
নিয়ে ব্রিটেনে খুব গুঞ্জন চলছে। তিনি নাকি কম দূরত্বের রাস্তাও যান প্রাইভেট জেটে। এবার গাড়িতে সিটবেল্ট ছাড়া চড়ে সেই সমালোচনায় আরও ঘি ঢাললেন তিনি নিজে।




